শিরোনামঃ

ভোলার চরফ্যাশন  বাঁচতে চান মাসুদ,হাসপাতালের বিছানায় ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই


কামরুল সিকদার ভোলা জেলা প্রতিনিধি॥ মাত্র ৩২বছর বয়স। যে বয়সে একজন তরুণের স্বপ্ন থাকার কথা সংসার,পরিবার আর ভবিষ্য নিয়ে- ঠিক সেই বয়সেই হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে জীবন-মৃত্যুর কঠিন লড়াই করছেন ভোলার চরফ্যাশনের মাসুদ।

সুস্থ্য সবল এই মানুষটির একটি টিউমার থেকে শুরু হওয়া অসুস্থতা এখন তার শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোতে ছড়িয়ে পড়েছে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হেেছ। লিভার ও কিডনিতে ক্যান্সারের আক্রমণ হয়েছে। শারীরিক যন্ত্রণার পাশাপাশি অনিশ্চিত ভবিষ্য আর চিকিৎসার ব্যয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তার। হাসপাতালের বেডে নিস্তেজ হয়ে পড়ে থাকা মাসুদের চোখে এখানে বেঁচে থাকার আকুতি। ডাক্তারেরা তার স্বজনদেরকে বলে দিয়েছে তাকে বাড়িতে নিয়ে যান,যা মন চায় তাইয়ে খাওয়ান। যদি মাসুদ এখনও শক্তভাষ্য বলেন,আমাকে একটু ভাল মানের ডাক্তার দেখান,আমার মন বলছে আমি ইনসাল্লাহ সুস্থ্য হয়ে উঠবে। চিকিৎসা শেষে স্বাভাবিকভাবে পরিবার পরিজন নিয়ে সুন্দর জীবন-যাপন করতে বাড়িতে ফিরতে চান। মাসুদের সংসার জীবনে স্ত্রী ১ ছেলে ১ মেয়ে রয়েছে। সংসার জীবনে মাসুদ বিয়ের পর থেকে দু’জন গার্মেন্টে চাকুরী করতেন। নিজের সুখের চিন্তা না করে সন্তানদের সুখের চিন্তা করে মেয়েটি চরফ্যাশন সরকারি কলেজ থেকে এবছর এইচ এসসি পরীক্ষা দিচ্ছে। ছোট ছেলেটি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৮ম শ্রেণীতে লেখাপড়া করছে। ঠিক এই মুহুত্বে সুস্থ্য-সবল মানুষটি মরণব্যধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে তিনি ভয়কে জয় করতে সংগ্রাম চালাচ্ছেন।

মাসুদের স্বজনেরা জানান, চিকিসার জন্য ইতোমধ্যে তাদের সাধ্যমতো অর্থ ব্যয় হছে।

অসুস্থ্য মাকসুদের স্ত্রী নুরনাহার কালের কন্ঠকে বলেন, সামান্য পেটের ব্যথার জন্য ঢাকা ঢাকা ধানমন্ডী হাউজ নং ৬৮ ,রোড নং ১৫ এ সংকর, ঢাকা ১২০৯ ইবনে সিনা হাসপাতাল ডাঃ এ এইচ এম তানভীর আহমেদ লিটনকে দেখাই। বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে কিছু ওষুধ খাইতে দেয়। কোন রোগ নির্ণয় করতে পারেনি। পরে তার অবস্থা আরো খারাপ দেখে চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার মনিরুল মান্নার তত্ত্ববোধনে ভর্তি হন। ওই হাসপাতালের পরীক্ষা নিরীক্ষা ধরা পড়ে অগ্ল্যশয়ের মাথায় ক্যান্সার। লিভারে ছড়িয়ে পড়েছে।

অপারেশন করে পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার কোন সম্ভাবনাই নেই। ডাক্তাররা বলেছেন আপনি বাড়ি চলে যান। স্বজনদের বলছেন, যা খাইতে ইচ্ছা তাকে তা খাইতে দিন। চট্রগ্রাম মেডিকেল থেকে মাসুদের আকুতিতে ভাই এবং বাবার যোগানো টাকা নিয়ে ধানমন্ডী ওই পূর্বের পরিচিত ইবনে সিনা হাসপাতাল ডাঃ এ এইচ এম তানভীর আহমেদ লিটনের কাছে পূণরায় চিকিৎসা নেয়। লিটন পরীক্ষা নিরীক্ষার কাগজপত্র পর্যালোচনা করে রোগী এবং পরিবারকে বলছেন, সাড়ে ৩লাখ টাকা লাগবে, পেটের টিউমার অপারেন্স করলে সুস্থ্য হয়ে উঠবে। মা সন্তানকে, স্ত্রী তার স্বামীকে, ভাই তার ভাইকে বাচাতে ডাক্তারের কথা অপারেন্স করা সিদ্ধান্ত নেন। ডাক্তার তানভীর আহমেদ লিটন গত ২৪ শে জুলাই ২০২৬ইং তারিখ রোজ শুক্রবার অপারেশন করেন। পেটের তিনভাগের দুই ভাগ কেটে অপারেশন করার পর ডাক্তার পরিবারের লোকজনদেরকে এসে বলল তার টিউমারে ক্যান্সার লিভার সহ বিভিন্ন কিছু আক্রমণ করে ফেলছে এই মুহূর্তে টিউমার অপারেশন করতে গেলে তার মুত্যু অনিবার্য।প্রসাব থলি থেকে পাথর খাদ্যনালী  সুরঙ্গ করে দিয়েছি বলে শান্তনা দেন। ৭/৮দিন হাসপাতলে রেখে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। এদিকে তার গ্রামের বাড়ি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার জাহানপুর জলিল বেপারী বাজার এলাকায় আনার পর তার অবস্থা আরো বেগতি দেখে চরফ্যাশর হাসপাতালে নিলে চরফ্যাশন হাসপাতালের সার্জারী ডাক্তার তৌহিদুল ইসলাম কাগজপত্র পর্যালোচনা করে দেখে তার লিভার কিডনি সব ক্যান্সারের আক্রমণ করে ফেলছে তাকে অহেতুক এই পেটের অপারেশন করে তার জীবনটার বাকি অংশ শেষ করে দিয়েছে এমন অভিযোগ করেছেন মাকসুদের স্ত্রী ভাই, বোন ও মা রাজিয়া বেগম। বর্তমানে সে চরফ্যাশন হাসপাতালে একদিকে পেটের সেলাইগুলো গেমে গেমে পুইজ পরছে অন্যদিকে পেটের বিতরের যন্ত্রণা চিৎকার করছে, দৈনিক ৫/৭হাজার টাকা ইনজেকশনসহ ওষুধ দিলে মোটামোটি চিৎকার বন্ধ হচ্ছে এই নিয়ে  হাসপাতালে বেডে এবং বর্তমানে তার জাহানপুর বাড়িতে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। 

স্ত্রী নুরনাহারের দাবী ইবনেসিনার ডাক্তার লিটন পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাগজপত্র দেখেও টাকার জন্য ভালা হবার আশ্বাস দিয়ে পেটের ৪ভাগের ৩ভাগই কেটে অপারেন্স করিয়ে আজ কোথাও চিকিৎসার জন্য নিতে পারছি না। টাকা টাকা গেল রোগীকে শেষ করে দিল। লিটন ডাক্তার ,ডাক্তার নয় ও তো কসাই টাকার জন্য সব করতে পারে। আমাদের গরীব মানুষের টাকা আল্লাহ ওর পেটে সহ্য করবে না। আল্লাহ কাছে বিচার দিলাম আল্লাহ ওর বিচার করবে।

এদিকে এখনো স্বাভাবিকভাবে ক্যান্সারে আক্রান্ত মাসুদ কথা বলে দেশবাসীর কাছে তার সুস্থতার জন্য দোয়া  ও মাসুদ ০১৭১৯৭৭৯০৭২. মা ০১৭৭৮৭০৫৬২২ এই নম্বরে সহযোগিতা কামনা করছেন।

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?