- নিজস্ব প্রতিবেদক
- প্রকাশিত: ১৭ আগস্ট ২০২৬ ০৬:৫২ পিএম
বাসযোগ্য ও সবুজ ঢাকা গড়তে এবিজি-ডিএনসিসি যৌথ উদ্যোগের আশ্বাস
রাজধানী ঢাকাকে আরও আধুনিক, পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য নগর হিসেবে গড়ে তুলতে বেসরকারি খাত ও সিটি করপোরেশনের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও দেশের অন্যতম বৃহৎ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ (এবিজি) পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) গুলশানে ডিএনসিসির কার্যালয়ে এবিজি চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে নগর উন্নয়ন ও জনসেবাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। সাক্ষাৎ শেষে এসব তথ্য জানান ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, বসুন্ধরা একটি মডেল আবাসিক এলাকা। এবিজি দেশের অন্যতম স্বনামধন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং ডিএনসিসির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার। এবিজি চেয়ারম্যান তার আমন্ত্রণে ডিএনসিসি কার্যালয়ে এসেছিলেন।
তিনি বলেন, নগর উন্নয়নের ক্ষেত্রে সব পক্ষের সমন্বয় প্রয়োজন। এ কারণে নগরবাসীর স্বার্থ ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এবিজি চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, নগর উন্নয়নে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার রয়েছে। সবার সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমরা এই নগরকে আরও সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে চাই। নগর উন্নয়নে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। একটি বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ নগর উন্নয়নে ডিএনসিসিকে সহযোগিতা করবে বলে আশ্বস্ত করেছে। একইভাবে জনসেবার স্বার্থে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেও যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করা হবে।
এদিকে রাজধানীর ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডিএনসিসির কার্যক্রম তুলে ধরে প্রশাসক জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে ডিএনসিসি।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে গঠিত টাস্কফোর্সের মাধ্যমে ডিএনসিসির ১০টি জোনে কঠোর মনিটরিং চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি এডিস মশার বিস্তার রোধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
সরকারি অফিস-আদালতসহ বিভিন্ন স্থানে এডিস মশার লার্ভা শনাক্তে ঝটিকা অভিযান চালানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি। কোথাও লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হচ্ছে।
বাসাবাড়িতে মশার প্রজনন নিয়ন্ত্রণে নাগরিকদের সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, মানুষের ঘরের ভেতরে ঢুকে সিটি করপোরেশনের পক্ষে মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশের আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সরকারি দপ্তরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপরও ডিএনসিসির নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ডিএনসিসির পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী নিয়মিত মশার ওষুধ প্রয়োগের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। অতীতের তুলনায় বর্তমানে নগরীতে মশা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে বৃষ্টি-বাদল শেষ হওয়ার পর সম্ভাব্য মশার হটস্পটগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোতে বিশেষভাবে মশা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এই বিভাগের আরো খবর
-
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: মাদক একটি পরিবারকে ধ্বংস করার পাশাপাশি একটি প্রজন্মের সম্ভাবনাকেও নষ্ট করে দিতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায়...
-
সোহাগ হাওলাদার,বরগুনা:বরগুনার বেতাগী উপজেলার কাজিরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মো. আবুল হোসেন গাজীককে সৎ ভাইয়ের নামের সঙ্গে নিজের নাম যুক্ত...
-
রোকাইয়া, যবিপ্রবি প্রতিনিধিযশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পরিবহন দপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) ও পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি (এনএফটি) বিভাগের...
-
রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর। লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় চাচি শাশুড়িকে মারধর, মানসিক নির্যাতন এবং তার বসতঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।...
অনলাইন ভোট
-
-
মায়ের জানাজার সময় গাজীপুরের বিএনপি নেতা আলী আজমকে হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখার ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে বলেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আপনি কি মনে করেন?
-
-
খেলাপি ঋণ কমাতে ব্যাংকঋণ পরিশোধে বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও ছাড় দিয়েছে। এতে প্রকৃত খেলাপি ঋণ কমবে বলে আপনি কি মনে করেন?
খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?
এখনই সাবস্ক্রাইব করুন প্রিয় বিষয়ের নিউজলেটার!