- প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬ ০৮:৩৯ পিএম
যবিপ্রবিতে ‘আইওটি ইনোভেশন সামিট ২০২৬’ অনুষ্ঠিত
যবিপ্রবি প্রতিনিধি:
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) ‘মেন্টরশিপের মাধ্যমে আইওটি দক্ষতা, উদ্ভাবন ও পেশাগত উন্নয়নের সেতুবন্ধন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘আইওটি ইনোভেশন সামিট ২০২৬’। আইইইই যবিপ্রবি স্টুডেন্ট শাখার আয়োজনে তিন দিনব্যাপী এ সামিটে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা, আইওটি, প্রকল্প উন্নয়ন, মেন্টরশিপ ও পেশাগত ক্যারিয়ার নিয়ে তিনটি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ১২ টা ৪৫ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারিতে সশরীরে ও অনলাইনে সামিটের তৃতীয় ও শেষ অধিবেশন ‘পরামর্শদান ও ক্যারিয়ার নির্দেশনা’ অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বক্তা ছিলেন আইইইই ইয়াং প্রফেশনালস বাংলাদেশের চেয়ার ইঞ্জিনিয়ার সোহেল রানা, যবিপ্রবির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. তারেকুজ্জামান এবং ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক শরীফুজ্জামান। সামিটে বিশেষ সহযোগিতায় ছিল আইইইই ইয়াং প্রফেশনালস বাংলাদেশ, যবিপ্রবি রোবো সোসাইটি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তর।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার ইমরান খান এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. রাফিউল হাসান।
এর আগে, ২৪ আগস্ট ‘আর্ডুইনোর মৌলিক বিষয় ও প্রকল্প উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রথম এবং ২৫ আগস্ট ‘ব্লিংক ও থিংস্পিকের মাধ্যমে আইওটি’ শীর্ষক দ্বিতীয় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। প্রথম অধিবেশনে বক্তা ছিলেন আইইইই যবিপ্রবি স্টুডেন্ট শাখার চেয়ারপারসন জাহিদুল ইসলাম শান্ত ও সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাকিম। দ্বিতীয় অধিবেশনে বক্তা ছিলেন যবিপ্রবির ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক জাহেদুল ইসলাম।
অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার ইমরান খান বলেন, “বর্তমান যুগে ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) ও মেশিন লার্নিং সম্পর্কে জ্ঞান না থাকলে কারিগরি শিক্ষায় দক্ষতা থাকা সত্ত্বেও পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে না পারলে গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তির নতুন ধারার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এবং তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেই এ ধরনের সামিটের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ।”
ড. মো. রাফিউল হাসান বলেন, “সময়ের সঙ্গে নিজেকে উন্নত ও আধুনিক দক্ষতায় সমৃদ্ধ করতে না পারা শিক্ষার্থীদের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে। সামিটের বিভিন্ন অধিবেশন শিক্ষার্থীদের দক্ষতার ঘাটতি পূরণে সহায়তা করবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী কল্যাণ ও পরামর্শক প্যানেলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যেকোনো পরামর্শ ও উন্নয়নে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।”
তিনদিন ব্যাপী সামিটের বিভিন্ন অধিবেশনে যবিপ্রবিতে অধ্যায়নরত বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন ।
এই বিভাগের আরো খবর
-
বরিশালে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি ইউনিটের নিয়মিত মাসিক আড্ডা ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে আলোচনা...
-
নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জ : গবেষণা, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) অনুষ্ঠিত হলো দুই...
অনলাইন ভোট
-
-
মায়ের জানাজার সময় গাজীপুরের বিএনপি নেতা আলী আজমকে হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখার ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে বলেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আপনি কি মনে করেন?
-
-
খেলাপি ঋণ কমাতে ব্যাংকঋণ পরিশোধে বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও ছাড় দিয়েছে। এতে প্রকৃত খেলাপি ঋণ কমবে বলে আপনি কি মনে করেন?
খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?
এখনই সাবস্ক্রাইব করুন প্রিয় বিষয়ের নিউজলেটার!