- প্রকাশিত: ২৯ আগস্ট ২০২৬ ০৮:৪৭ পিএম
গোবিপ্রবিতে অনুষ্ঠিত হলো দুই দিনব্যাপী গবেষণা সম্মেলন
নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জ : গবেষণা, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) অনুষ্ঠিত হলো দুই দিনব্যাপী ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারি সামিট ২০২৬’। ‘বৈশ্বিক প্রভাবের জন্য চিন্তার মিলন’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রথমবারের মতো গবেষকদের এই মিলনমেলার আয়োজন করে জিএসটিইউ গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কাউন্সিল।
আজ শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন গোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান। এ সম্মেলনে সাতটি ডিসিপ্লিনে দেশের ৪০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের জমাকৃত ১৩৬টি গবেষণাপত্র যাচাই-বাছাই শেষে সম্মেলনে ৬৬টি গবেষণাপত্র উপস্থাপন ও সেগুলোর ওপর গভীর আলোকপাত করা হয়।
শুক্রবার শুরু হওয়া এই সম্মেলনে প্রকৌশল, জীবনবিজ্ঞান, কৃষি, ব্যবসায় শিক্ষা, মানবিক ও সমাজবিজ্ঞানসহ সাতটি স্বতন্ত্র সেশনে একত্রিত হয়ে দেশের স্বনামধন্য গবেষক ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা নিজেদের গবেষণা, চিন্তা ও সমাধান তুলে ধরেন। যেখানে সেশন পরিচালনা করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও গোবিপ্রবির স্বনামধন্য সব গবেষক।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গোবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান বলেন, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এই গবেষণা সম্মেলনে যারা কষ্ট করে অংশগ্রহণ করেছেন, তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এটি অনেক বড়ো অর্জন। কেননা এর মধ্য দিয়ে বৃহৎ পরিসরে এই গবেষকদের মিলনমেলার সূচনা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে গবেষণার বিকল্প কিছু নেই। আজকে যারা এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছে, একসময় তাদের গবেষণাকর্মই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ করবে। আমরা চেষ্টা করছি, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ল্যাব সুবিধা বাড়ানোর। যাতে করে শিক্ষার্থীরা আরো ভালো গবেষণা করতে পারে। এ সময় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের গবেষণায় অনুপ্রেরণা জোগাতে সাত ডিসিপ্লিনের সেরা গবেষকদের ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান।
সম্মেলন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ফিশারিজ এন্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. নিয়াজ আল হাসান জানান, বিভিন্ন শাখার জ্ঞান ও দৃষ্টিভঙ্গিকে এক মঞ্চে এনে জলবায়ু পরিবর্তন, জনস্বাস্থ্য, খাদ্যনিরাপত্তা, টেকসই প্রযুক্তি, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, নৈতিকতা ও সামাজিক স্থিতিশীলতার মতো গুরুত্বপূর্ণ সংকটের বাস্তবভিত্তিক ও কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করাই এই সম্মেলনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিলো। #
এই বিভাগের আরো খবর
-
বরিশালে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি ইউনিটের নিয়মিত মাসিক আড্ডা ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে আলোচনা...
-
নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জ : গবেষণা, উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) অনুষ্ঠিত হলো দুই...
অনলাইন ভোট
-
-
মায়ের জানাজার সময় গাজীপুরের বিএনপি নেতা আলী আজমকে হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখার ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে বলেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আপনি কি মনে করেন?
-
-
খেলাপি ঋণ কমাতে ব্যাংকঋণ পরিশোধে বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও ছাড় দিয়েছে। এতে প্রকৃত খেলাপি ঋণ কমবে বলে আপনি কি মনে করেন?
খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?
এখনই সাবস্ক্রাইব করুন প্রিয় বিষয়ের নিউজলেটার!