- প্রকাশিত: ১ এপ্রিল ২০২৬ ০৩:২৬ পিএম
যবিপ্রবির নেতৃত্বে মাধ্যমিকের শারীরিক শিক্ষা বইয়ে আসছে আমূল পরিবর্তন
যবিপ্রবি প্রতিনিধি:
দেশের মাধ্যমিক স্তরের শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া শিক্ষাকে আমূল বদলে দিতে এক যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
২০২৭ শিক্ষাবর্ষকে সামনে রেখে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণির "শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য" এবং নবম ও দশম শ্রেণির "শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা" পাঠ্যবইগুলোর সংশোধন, পরিমার্জন ও কনটেন্ট ম্যাপিংয়ের কাজ সম্প্রতি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রথাগত ধারার বাইরে গিয়ে এবারই প্রথম এই পাঠ্যবইগুলো তৈরি করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রিধারী বিশেষজ্ঞ ও গবেষকদের তত্ত্বাবধানে।
দীর্ঘদিন ধরে এই বিষয়টি স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মাধ্যমে পরিচালিত হলেও, এবার এর মূল বিশেষজ্ঞ দলের সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান (পিইএসএস) বিভাগের শিক্ষক ও অ্যালামনাইরা। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাবিদরাও রয়েছেন এ বিশেষজ্ঞ দলে।
এই বিশেষজ্ঞ দলে রয়েছেন যবিপ্রবি’র পিইএসএস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. হামিদুর রহমান, একই বিভাগের প্রভাষক ফাতেমা তুজ জোহরা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. খালেদা ইসলাম ও প্রভাষক ড. মারজিয়া সুলতানা। বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক আব্দুর রহিম রাসেল, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ নির্ঝর এর শারীরিক শিক্ষা শিক্ষক নাইম উল কবির। এছাড়াও এ দলে রয়েছেন বাংলাদেশের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিষয়ের অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা।
বিশেষজ্ঞ দলের সদস্য যবিপ্রবি’র পিইএসএস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. হামিদুর রহমানের মতে এবারের পাঠ্যবইগুলো কেবল তাত্ত্বিক আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বইগুলোর গুণগত মান বাড়াতে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রিধারী বিশেষজ্ঞদের সম্পৃক্ততা এক নতুন মাত্রা যোগ করবে। তিনি আরো বলেন, এবারের পাঠ্যবইগুলো বৈজ্ঞানিক ও বাস্তবমুখী জ্ঞানের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে। উচ্চতর ডিগ্রিধারীদের সরাসরি অংশগ্রহণের ফলে এর মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে।
২০২৭ সালের পাঠ্যবইগুলোতে মূলত তিনটি বিষয়ের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে:
বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা: শরীরের বাহ্যিক গঠনের পাশাপাশি ক্রীড়া বিজ্ঞানের আধুনিক সূত্র ও তত্ত্বের সংযোজন। বাস্তবমুখী শিক্ষা: শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়ক ব্যবহারিক ও প্রয়োগমুখী পাঠ। আন্তর্জাতিক মান: বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর সাথে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক কনটেন্ট ম্যাপিং।
উল্লেখ্য, ২০২৭ সাল থেকে দেশের সব শিক্ষার্থীরা এই গবেষণাধর্মী ও আধুনিক পাঠ্যবই হাতে পাবে, যা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও ক্রীড়া শিক্ষায় এক নতুন ধারার সূচনা করবে বলে আশাবাদী শিক্ষাবিদরা।
এই বিভাগের আরো খবর
-
নিজস্ব প্রতিবেদক:শুক্রবার ছুটির দিন বিকেলে আন্তর্জাতিক কসমেটিকস প্রদর্শনী ‘কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬’-এর দ্বিতীয় দিনে রিমার্ক-হারল্যানের প্যাভিলিয়ন ঘুরে দেখলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাবিলা...
-
বরিশাল সাংবাদিক ফোরাম (বিএসএফ)-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য প্রয়াত সাংবাদিক এম মিরাজ হোসাইনের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া...
-
একটি চুক্তি কতটা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে? আর দুই দেশের সম্পর্কের মৌলিক পরিবর্তন ঘটলে সেই চুক্তির সুবিধা কি আগের মতো বহাল...
-
ব্যাচেলর অব মেডিসিন অ্যান্ড ব্যাচেলর অব সার্জারি (এমবিবিএস) পরীক্ষার ফলাফলে ১ম ব্যাচেই প্রশংসনীয় সাফল্য অর্জন করেছে বরিশাল বিভাগে প্রতিষ্ঠিত প্রথম...
অনলাইন ভোট
-
-
মায়ের জানাজার সময় গাজীপুরের বিএনপি নেতা আলী আজমকে হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখার ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে বলেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আপনি কি মনে করেন?
-
-
খেলাপি ঋণ কমাতে ব্যাংকঋণ পরিশোধে বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও ছাড় দিয়েছে। এতে প্রকৃত খেলাপি ঋণ কমবে বলে আপনি কি মনে করেন?
খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?
এখনই সাবস্ক্রাইব করুন প্রিয় বিষয়ের নিউজলেটার!