শিরোনামঃ

গলাচিপায় লালনের ক্রয় করা জাল নিয়ে যাওয়ার পায়েদ্বারা প্রতিপক্ষের বিপাকে লালন ফকির


সঞ্জিব দাস, গলাচিপা , পটুয়াখালী, প্রতিনিধি           পটুয়াখালীর গলাচিপায় লালন ফকির  (৭৫) এর জাল নিয়ে গেল   প্রতিপক্ষরা লালনের কান্না আজও থামেনি। লালন ফকির হচ্ছেন গলাচিপা সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চর কারর্ফারমা গ্রামের সোনামিয়া হাওলাদারের ছেলে। তিনি একজন প্রকৃত জেলে তার জীবন শুরু হয় মাছ ধরতে ধরতে কান্না কন্ঠে লালন ফকির  বলেন, ছোটবেলা থেকে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করি এভাবেই চলে আমার জীবন। আমি কিছুদিন আগে উলনিয়া বন্দর সাধন বেপারীর দোকান থেকে জাল ক্রয় করে বাড়িতে এনে জালের রশি তৈরি করে রাখি। অবরোধের পর জাল নিয়ে নদীতে নামবো নদীতে মাছ শিকার করবো বলে জাল তৈরি করে রাখি। আমাদের একই গ্রামের আমার প্রতিপক্ষ আবু সালাম হাওলাদার ও অজেত হাওলাদার আমার জাল দেখে তারা মনে করে  জাল তাদের। ছালাম হাওলাদার ও অজেত হাওলাদার মিলে লালন ফকিরের  নামে লিখিত অভিযোগ করেন গলাচিপা থানায়। থানার  এসআই  মিজানুর রহমান  ঘটনার স্থলে গিয়ে  লালন ফকিরের  ঘর থেকে তার ক্রয় করা জাল এনে চর কারফারর্মা  গ্রামের নূর মোহাম্মদ হাওলাদারের ঘরে রাখে। এ বিষয়ে লালন ফকির আরো বলেন,  প্রতিপক্ষরা আমাকে ক্ষতি করার জন্য লেগেছে।আমি গণমাধ্যমের মাধ্যমে এদের সকলের বিচার চাই।এ বিষয়ে লালন ফকিরের  স্ত্রী শাহিনুর বেগম বলেন, আমার স্বামীকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে দেশ ছাড়ার পাঁয়তারা করছে আবু ছালাম হাওলাদার ও অজেত হাওলাদার আমরা গরীব মানুষ আমার স্বামীর উপর নির্ভরশীল ওরা যদি আমার স্বামীকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে দেশ ছাড়ার পাঁয়তারা করছে। এ বিষয়ে জাল বিক্রেতা বাবু সাধন বেপারী বলেন, আমার দোকান  থেকে লালন ফকির   নগত টাকায় জাল কিনেছে। আমি তাকে দোকানের চোতা দিয়েছি। এ বিষয়ে আবু সালাম হাওলাদার ও অজেত হাওলাদার বলেন, আমাদের জাল এরকম এটাই আমাদের জাল আমরা মনে করি। গলাচিপা থানার এসআই মোহাম্মদ মিজান মিয়া বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি লালন মিয়ার বাসায় জাল পেয়েছি দুই পক্ষকে থানায় ডেকে সালিশির মাধ্যমে প্রকৃত জালের মালিক কে জাল বুঝিয়ে দেওয়া হবে। এ বিষয়ে মুখ খুললেন, বোয়ালিয়া নৌ বাহিনীর ট্রলারের মাঝি এমাদুল বলেন, গত ৮ মাস পূর্বে আগুনমুখার ভারানির খাল থেকে অজেত ও ছালামের ট্টলার থেকে জাল নিয়ে যায় নৌবাহীনি বোয়ালিয়া পল্টনে। অজেতের মেয়ের জামাই লিটন দালাল জানান, আমি নৌ বাহিনীর বোর্ডে গিয়ে আমার শ্বশুরের জাল দেখে মুঠোফোনে এমাদুল মাঝি কে জালটার বিষয়ে সুপারিশ করতে বলি কিন্তু নৌবাহীনি রাজি না হওয়ায় কোরালিয়া পল্টনে গিয়ে জাল গুলো নৌবাহিনী পুড়ে দেয়। এ বিষয়ে রাঙ্গাবালী সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ভারপ্রাপ্ত জহিরুল নবী বলেন, ঘটনাটি শুনেছি নৌবাহিনী জাল পুড়েছে। এ বিষয়ে ইউপি সদস্য রফিক মিয়া বলেন, লালন ফকির আসলে  গরীব মানুষ তিনি ছোটবেলা থেকেই নদীতে মাছ ধরে জীবন নির্ভর করে।তার জাল গুলো প্রতিপক্ষরা নেওয়ায় তিনি ভেঙে পড়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?