শিরোনামঃ

গলাচিপা-হরিদেবপুর ফেরি ও খেয়াঘাট সংস্কারে ছয় দফা দাবিতে মানববন্ধন


সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী, প্রতিনিধি 

পটুয়াখালীর গলাচিপা-হরিদেবপুর ফেরি ও খেয়াঘাট সংস্কারের দাবিতে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। বুধবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় গলাচিপা খেয়াঘাট সড়কে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মো. হাফিজুর রহমান, সদস্য সচিব মো. জাকির হোসেন, উপজেলা শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. আমির হোসেন, গলাচিপা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. কলিম উল্লাহ, ডাকুয়া ইমাম পরিষদের সভাপতি মাওলানা মো. শফিকুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক মাহমুদ হাসান, উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. আরিফ বিল্লাহ, সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম মুন্না, ছাত্র প্রতিনিধি মো. নাসির উল্লাহ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে ফেরি ও খেয়াঘাটের অবকাঠামো জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। এতে সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী ও রোগীরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। অবিলম্বে সংস্কারের উদ্যোগ নিতে হবে, অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।” গলাচিপা-হরিদেবপুর ফেরি ও খেয়াঘাট সংস্কারে ছয় দফা দাবি তুলে ধরা হয়—

১. খেয়াঘাটের সর্বোচ্চ ভাড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।

২. প্রতি এক ঘণ্টা অন্তর ফেরি চলাচল নিশ্চিত করতে হবে এবং জরুরি সেবার সময় তাৎক্ষণিক ফেরি ছাড়তে হবে।

৩. খেয়া ও ফেরিতে ভাড়ার তালিকা দৃশ্যমান বোর্ডে টানিয়ে রাখতে হবে।

৪. খেয়া ও ফেরিঘাটে নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত আলো ও পাকা রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে।

৫. ছাত্র-ছাত্রী ও প্রতিবন্ধীদের ভাড়া মওকুফ করতে হবে।

৬. যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি খেয়ায় সর্বোচ্চ ২০ থেকে ২৫ জনের বেশি পারাপার করা যাবে না।



বক্তারা আরও বলেন, “এটি শুধু অবকাঠামোগত বিষয় নয়, মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি দাবি। প্রশাসন যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়, তবে কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।”

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?