শিরোনামঃ

চরফ্যাশনে মিথ্যা চাঁদাবাজী মামলা প্রত্যাহারের দাবী ফুসে উঠছে গ্রামবাসী

ভোলার চরফ্যাশনে মিথ্যা চাঁদাবাজী মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে ফুসে উঠেছে গ্রামবাসী। শুক্রবার আসলামপুর সুলতান মিয়ার বাজারে জিয়াউদ্দিন সোহাগের দায়ের করা  মিথ্যা মামলা-হামলা থেকে রক্ষা পেতে বিক্ষোভ প্রতিবাদ সভা করেন এলাকাবাসী। প্রতিবাদ সভা এলাকাবাসী বলেন, আসলামপুর সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বশির আহম্মেদের ছেলে জিয়া উদ্দিন সোহাগ একজস কুখ্যাত সন্ত্রাসী এবং মামলাবাজ। আসলামপুর খতেজাবাগ গ্রামের মানুষের জায়গা জমি লুটপাট,জবর দখল, কথায় কথায় মিথ্যা মামলা হামলা দিয়ে হয়রানি করাই তার কাজ। গত ৫ আগস্টের পর থেকে এই সন্ত্রাসী সোহাগ পলাতক। কিন্তু তার অনৈতিক কর্মকান্ড এবং ক্ষমতা ধরে রাখতে এখন তার স্ত্রী জান্নাত বেগমকে দিয়ে নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ তুলছেন এলাকাবাসী।

রুবেল হাওলাদার বলেন, সুলতার মিয়ারহাট বাজারের একটি ভোগ দখলীয় ভিটির নির্মাণ কাজ চলমান অবস্থা তার স্ত্রীকে দিয়ে বাধা দেয়। বাধা দিয়ে ক্ষান্ত হয়নি তার স্ত্রীকে বাদী করে চরফ্যাশন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্টেট আদালতে ৮জনকে আসামী করে একটি চাঁদাবাজী মামলা দায়ের করেন।। রুবেল বলেন, প্রথমে বাধা দিবে তার পর তার সাথে বিনিময় হলে সবাই পারপাবে। দেখা বা বিনিময় না করলে মামলা এবং হামলা শিকার হতে হবে একপ্রকার আসলামপুর সুলতান মিয়ারহাট এলাকাবাসীকে জিম্মি করে রাখছে এই সন্ত্রাসী সোহাগ।

এলাকাবাসী বলেন, সন্ত্রাসী সোহাগ বিরুদ্ধে সাহস করে মামলা করলে আসলামপুর গ্রামের সন্ত্রান হিসেবে এড.আশ্রাফ আলী নিরব আমাদের মামলা গুলো পরিচালনা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সোহাগ পলাতক থেকে এবার তার স্ত্রী জান্নাত বেগমকে দিয়ে ওই নিরব উকিলকে আসামী করে চাঁদাবাজির মামলা জড়িয়ে দেয়। এককথা যে তার বিরুদ্ধে যাবে তাকে মামলা খেতে হবে।

নাম না প্রকাশ সর্তে জনৈক ব্যক্তি বলেন, সোহাগ নিজে একটা চাঁদাবাজ এবং সন্ত্রাসী কার্যকালাপ করে এলাকা ঘুরে বেড়ায়। যে তার কথার বাইরে যাবে সেই ব্যক্তিই কোন না কোনভাবে তারদ্বারা লাঞ্ছিত হতে হবে। ফলে আমরা তার বিরুদ্ধে কথা বলতে সাহস পাই না।

 চরফ্যাশন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত আইনজীবি আশ্রাফ আলী নিরব বলেন, আমার আর জিয়াউদ্দিন সোহাগের বাড়ি আসলামপুর গ্রামে। আমি সোহাগের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আইনজীবি হিসেবে পরিচালনা করছি করাটাই স্বাভাবিক। সোহাগের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা আমি কেন আইনজীবি হিসেবে লড়ি এই জন্য ইতিপূর্বে আমাকে ধর্ষণসহ বিভিন্ন মামলার জড়ানোর ভয় দেখায় সোহাগ। অবশেষে আমাকে প্রধান আসামী করে চরফ্যাশন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সি আর  ৫৪৯ নং একটি মামলা জড়িয়ে দেয়। আইনজীবি নিরব আরো বলেন, মামলা করা পর আরো হুমকি দেয় আমি যদি আরো বেশি বাড়াবাড়ি করি তাহলে তার স্ত্রীকে দিয়ে ধর্ষণ মামলা দেয়ার হুমকি দেয়।

এলাকাবাসী সংবাদকর্মীদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, সোহাগ একট সন্ত্রাস। তার কাছে তার মেয়েও নিরাপদ নয়, মানুষ তো দুরের কথা। যারা তার বিরুদ্ধে কথা বলবে পর্যক্রমে তাদের উপর হামলা-মামলা দিয়ে হয়রানি চলবে। যার ফলে তার ভয়ে কেউ মুখ খুলে কথা বলতে সাহস পায় না। তারা এহেন তার রোশানল এবং দায়ের করা ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা মামল-হামলা থেকে বাঁচতে প্রশাসনের হস্তেক্ষেপ কামনা করছেন।

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?