- প্রকাশিত: ৯ এপ্রিল ২০২৬ ১১:২৭ এএম
বর্মন পরিবারের পৈতৃক সম্পত্তি দখলের অভিযোগ, সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি
নিউজ ডেস্ক: বরিশাল নগরীর বর্মন রোড এলাকার ঐতিহ্যবাহী জমিদার বাড়ির সম্পত্তি দখলের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বর্মন পরিবারের উত্তরসূরি সুব্রত প্রসাদ বর্মন (মিঠু)। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, তার পূর্বপুরুষ জমিদার বিজয় প্রসাদ বর্মন বেনিসিংহের হাবেলী এলাকায় বিপুল পরিমাণ জমির মালিক ছিলেন। তার মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে তিন পুত্র—দেবপ্রসাদ বর্মন, অনিল প্রসাদ বর্মন ও সুনীল প্রসাদ বর্মন—সম্পত্তির মালিকানা পান।
তার দাবি, ১৯৫৮ সালের ১১ অক্টোবর নিবন্ধিত একটি দলিলের মাধ্যমে এসএ ৬৯৫ খতিয়ানের কিছু জমি হস্তান্তর করা হলেও প্রায় ২০০ বছরের পুরনো মনসা মন্দির ও পারিবারিক সমাধিস্থলের নির্দিষ্ট অংশ ধর্মীয় উপাসনার জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছিল।
অভিযোগ করা হয়, পরবর্তীতে বিভিন্ন পর্যায়ে জমির মালিকানা পরিবর্তনের মাধ্যমে সংরক্ষিত ওই অংশ স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির দখলে চলে যায়। ইতোমধ্যে মনসা মন্দির ও পারিবারিক সমাধিস্থলের অংশ ভেঙে দখল করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়।
সুব্রত প্রসাদ বর্মন বলেন, “দুইশ বছরের পুরনো মনসা মন্দির ও পূর্বপুরুষদের সমাধিস্থল এখন আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। সেখানে প্রবেশ বা ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছি না।”
তিনি আরও দাবি করেন, এসএ ৬৯৫ খতিয়ানের ১২৫৮ দাগের ৭ শতাংশ জমি বিক্রি করা হয়নি। জমিটি বর্তমানে বিএস ৫৪২৯ নং খতিয়ানে তাদের নামে থাকলেও বাস্তবে ভোগদখলে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসন, সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দখলমুক্ত করে পৈতৃক সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান। একই সঙ্গে অভিযোগ করা হয়, দখলকারীর সঙ্গে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
এ সময় আরও জানানো হয়, বেনিসিংহের হাবেলী এলাকায় অবস্থিত বর্মন পরিবারের ঐতিহ্যবাহী দোতলা প্রাচীরঘেরা বাড়িটি ইতোমধ্যে ভেঙে ফেলা হয়েছে।
এই বিভাগের আরো খবর
-
সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী, প্রতিনিধি পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের চরলতা এলাকায় সরকারি খাসজমি ও খাস খাল দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও...
অনলাইন ভোট
-
-
মায়ের জানাজার সময় গাজীপুরের বিএনপি নেতা আলী আজমকে হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখার ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে বলেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আপনি কি মনে করেন?
-
-
খেলাপি ঋণ কমাতে ব্যাংকঋণ পরিশোধে বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও ছাড় দিয়েছে। এতে প্রকৃত খেলাপি ঋণ কমবে বলে আপনি কি মনে করেন?
খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?
এখনই সাবস্ক্রাইব করুন প্রিয় বিষয়ের নিউজলেটার!