শিরোনামঃ

বামনায় নিজ সম্পত্তি রক্ষায় ও মিথ্যা   সংবাদ এর প্রতিবাদে  সংবাদ সম্মেলন


স্টাফ রিপোর্টারঃ

বরগুনার বামনায় স্বামীর সম্পত্তি স্ত্রীরি নামে লিখে না দেওয়ায় স্বামী বিরুদ্ধে ফেইজবুক পেইজে স্ত্রীরির মিথ্যা বক্তব্যকে কেন্দ্র করে স্বামী মো. সাহাবুদ্দিনের  সংবাদ সম্মেলন।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম মিলনায়তনে দুই সন্তানের জনক মোঃ সাহাবুদ্দিন সংবাদ সম্মেলনে স্ত্রী ও শ্বাশুরীর বিরুদ্ধে বক্তব্য দেন ।

সাহাবুদ্দিন তার বক্তব্যে বলেন, প্রায় ১৫ বছর আগে বামনা উপজেলার গোলাঘাটা কড়ইতলা গ্রামের মোসাঃ লিমা বেগমের সঙ্গে আমার বিয়ে হয়। আমার দুই কন্যা সন্তানই শারীরিক ভাবে অসুস্থ। 

বিবাহের পরথেকেই  আমাকে বিভিন্নভাবে কষ্ট দিয়ে আসছেন আমার স্ত্রী লিমা এবং শ্বাশুরী হনুফা বেগম রিনা। 

আমার স্ত্রী আমাকে কিছু না বলে তার মায়ের সাথে পরামর্শ করে  প্রায় ৫ মাস পূর্বে  কোথায় যে চলে যায় কোন সংবাদ জানিনা। ৫ মাস পরে আসিয়া শাশুড়ীর কুপরামর্শে আমার  ক্রয়কৃত সম্পত্তি লিখিয়া দিতে বলে। আমি লিখিয়া দিতে অস্বীকার করেলে  আমার শাশুড়ীকে নিয়া  আমাকে মারধর করে ঘর হতে বাহির করিয়া দেয় এবং আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট এবং সামাজিকভাবে হেয় করার চক্রান্ত করে 'সময় সংবাদ নেট'  নামে একটি ফেইজবুক পেইজে মিথ্যা গল্পকথা বলে ভিডিওতে ছাড়িয়াছে। যার কারনে আমার মান সম্মান হানীর ঘটনা ঘটেছে এই মিথ্যা প্রচারের তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই । 

এ বিষয়ে লিমা বেগমের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমার স্বামী নেশাখোর আমাকে মারধর করে সে কোন কাজ করে না। সে এলাকায় গাড়ি চালালে আমার মান সম্মানের সমস্যা হবে। আমাকে কোন ভরন পোষন দেয় না।  লিমা বেগমের কাছে জান্তে চাইলে, কেন বাড়ি হতে হঠাৎ না বলে  চলে গেলেন লিমা বেগম তার উত্তরে জানান আমাকে প্রায়ই মারধর করতো বলে চলে গিয়াছি,এবং জমি লিখে দেয়ার বিষয়ে বলেন আমার দুটি  অসুস্হ মেয়ে আছে ওদের  জন্য দুই শতাংশ জমি লিখে দেয়ার জন্য অনুরোধ করেছি। 

এ বিষয়ে সাহাবুদ্দিনের শ্বাশুড়ী হনুফা বেগম জানান, আমার কোন ছেলে সন্তান নাই জামাইকে প্রায় ২০ বছর যাবৎ লালন পালন করে  মেয়ে বিবাহ দিয়েছি । আমি তো জামাইর পক্ষে আমি তো মেয়ের পক্ষে না। 

এ বিষয়ে প্রতিবেশী ও জমি (বিক্রেতা) মালিক আলী হোসেন এর সাথে কথা বললে তিনি জানান স্বামী স্ত্রীরির মধ্যে শুধু সমস্যা একটাই প্রতিবন্ধী সন্তানের নামে সাহাবুদ্দিন জমি লিখে দিলেই সমস্যার সমাধান হয়। এ জমি লিখিয়া দেয়নি বলে সমস্যা তৈরি হয়েছে। সাহাবুদ্দিন আরো বলেন আমি মরে গেলে আমার সম্পত্তির মালিকতো হবে আমার স্ত্রী ও সন্তানেরা তাহলে এখনি কেন লিখে দিতে হবে বিষয়টি আমি সাংবাদিকদের লিখনির মাধ্যমে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছে। 



এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?