সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা, অব্যাহতি পাওয়ার আবেদন



নিজস্ব প্রতিবেদক:


এবার বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার প্রতারক নান্নু খানের দায়ের করা মিথ্যা মামলা থেকে অব্যাহতি পেতে বরিশাল জেলা জজের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাংবাদিক কে.এম সোহেব জুয়েল।

 

সাংবাদিক সোহেব জুয়েল গৌরনদী প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)'র বরিশাল উত্তর শাখার দপ্তর সম্পাদক। দীর্ঘ ২০ বছরের অধিক সময় ধরে তিনি (সাংবাদিক জুয়েল) জাতীয় দৈনিকে সুনামের সাথে সাংবাদিকতা করে আসছেন।


গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের সাকোকাঠী গ্রামের মৃত আলী আহম্মদ খলিফার ছেলে সাংবাদিক সোহেব জুয়েল  অভিযোগ করে বলেন, তার পাশ্ববর্তী বাবুগঞ্জ উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের মৃত আলী আজিম খানের ছেলে নান্নু খানের সাথে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের সূত্রধরে ঠিকাদারী কাজের জন্য মুনাফায় টাকা গ্রহণ করেন। 


পরবর্তীতে সাংবাদিক জুয়েল তার নিজ নামের আগরপুর রুপালী ব্যাংকের হিসাব থেকে নয় লাখ উনপঞ্চাশ হাজার পাঁচশ' টাকার চেক প্রদান করা হয় নান্নুকে। যাহা পরবর্তীতে সোহেব জুয়েলের ঠিকাদারী কাজের বিল থেকে নগদ টাকাসহ সোহেবের পার্টনারদের কাছ থেকে নগদ চেকের মাধ্যমে সম্পূর্ণ হিসেব বুঝে নেয় নান্নু। 


সাংবাদিক জুয়েল আরও বলেন, বন্ধুত্বের সম্পর্কে নান্নুর কাছে থাকা তার (জুয়েল) চেক ফেরত চাইলেও তিনি চেক দিতে নানা তালবাহানা শুরু করে। পরবর্তীতে এলাকার কতিপয় অসাধু ব্যক্তিদের পরামর্শে নিজ লাভবানের আশায় নান্নু চেক ডিজঅনার করে নিজেই বাদি হয়ে বরিশাল আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।


সাংবাদিক সোহেব জুয়েল আরো বলেন, নান্নুর টাকা নেয়ার বিষয়টি অনেকেই জানেন। যা নিয়ে একাধিকবার সালিশ বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে। যার তদন্ত করা হলে সঠিক তথ্য উদঘাটন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।


তাই প্রতারক নান্নু খানের দায়ের করা মিথ্যে মামলা থেকে অব্যাহতি পেতে সাংবাদিক কেএম সোহেব জুয়েল বরিশাল জেলা বিজ্ঞ জজ আদালতের বিচারকের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।


এ ব্যাপারে নান্নু খানের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিফ না করায় তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?