পাথরঘাটায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা নিয়ে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন, ১৯ হামলার অভিযোগ



সোহাগ হাওলাদার, বরগুনা:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বরগুনা জেলা শাখা। সংবাদ সম্মেলনে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত জামায়াতের নেতাকর্মীদের ওপর সংঘটিত ১৯টি হামলার তথ্য তুলে ধরা হয়।


মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ১১টায় বরগুনা জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জেলা আমীর অধ্যাপক মাওলানা মুহিবুল্লাহ হারুন।


লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত ১২ জানুয়ারি থেকে ১২ মে পর্যন্ত সংঘটিত ১৯টি সহিংস ঘটনার তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে নির্বাচনের আগে ৭টি এবং নির্বাচন পরবর্তী সময়ে ১২টি হামলার ঘটনা রয়েছে। এসব ঘটনার জন্য পাথরঘাটা ও বামনা উপজেলার বিএনপির কিছু নেতাকর্মীকে দায়ী করা হয়।


মুহিবুল্লাহ হারুন অভিযোগ করে বলেন, এখনো প্রতিনিয়ত ছোট-বড় বিভিন্ন ঘটনা ঘটছে। অসংখ্য ঘটনার তথ্য আমাদের কাছে প্রতিবেদন আকারে জমা রয়েছে। প্রয়োজন হলে সেগুলো সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরা হবে।


তিনি আরও বলেন, “পাথরঘাটা ও বামনা উপজেলার পরিস্থিতি দেখে মনে হয় এখানে কোনো অভিভাবক নেই। স্থানীয় প্রশাসন সবকিছু দেখেও না দেখার এবং জেনেও না জানার ভান করছে।


তিনি দাবি করেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে একটি নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠিত হলেও বরগুনা-২ আসনের মানুষ এখনো চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের অত্যাচার ও নির্যাতনের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। বিশেষ করে বিরোধী মতের মানুষ এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।


সংবাদ সম্মেলনের শেষাংশে তিনি বলেন, ৫ আগস্টের বিপ্লবের পর দেশের মানুষ একটি নতুন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ প্রত্যাশা করেছিল। কিন্তু বরগুনা-২ আসনের মানুষ এখনো পুরনো সন্ত্রাসী রাজত্বের চিত্র দেখছে। আমরা চাই গণমাধ্যম সঠিক তথ্য তুলে ধরে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করুক এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?