শিরোনামঃ

নলছিটি উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ



নলছিটি(ঝালকাঠি) প্রতিনিধি:

ফ্যাসিস্ট আমলে আওয়ামী লীগ নেতার আত্মীয় পরিচয় দানকারী, ইন্টেরিম সরকারের সময়  স্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকার প্রকাশক সম্পাদকের ভাই পরিচয়ে নলছিটি উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভার টেন্ডার বিজ্ঞাপন হাতিয়ে নেয়া, বর্তমানে ঝালকাঠি জেলা বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতার আত্মীয় পরিচয় দানকারী নলছিটি উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আনিসুরর রহমানকে নলছিটি বাসীর একটাই প্রশ্ন সখি তুমি কার?

২০২২ খ্রিষ্টাব্দের ৫ই জুন নলছিটি উপজেলা পরিষদে যোগদানের পর থেকে এসব পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে বোকা বানিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিভিন্ন পন্থায় আনিসুরর রহমান ঘুষ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সরকারি বিধি বহির্ভূতভাবে তিনি উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন অর্থনৈতিক ফাইল নিজ হাতে করে নিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ আছে।

এছাড়া স্থানীয় সরকারের ইউনিয়ন পরিষদের ফাইল,টিসিবির লাইন্সেস এবং তদন্ত সহ মালামাল সংখ্যা বন্টন বানিজ্য, উন্নয়ন সহায়তা তহবিল থেকে বছরের পর বছর বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প থেকে পার্সেন্টেজ আদায় , গ্রাম পুলিশ ফাইল , দপদপিয়া খেয়াঘাট থেকে খাস আদায়ের নামে প্রতিদিন কমিশন বাণিজ্য করে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া, আখড়পাড়া হাট থেকে খাস আদায়ের নামে মোট অংকের অর্থ লোপাট। এছাড়াও বর্তমানে সরকারের নলছিটি উপজেলা ইউনিয়ন গুলোতে গাছ না লাগিয়ে মিথ্যা রিপোর্ট প্রদান করে পরে টাকা আত্মসাৎ করার পরিকল্পনাকারীদের মধ্যে প্রশাসনিক কর্মকর্তাও ছিল। এ অবস্থায় নলছিটিবাসীর প্রশ্ন নলছিটি উপজেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আনিসুরর রহমানের খুটির জোর কোথায়? আর তিনি এতো বছর একই উপজেলায় একই পদে কর্মরত আছেন কিভাবে।

আনিসুরর রহমানের এসব অপকর্মের বা ঘুষ নেওয়ার ভিডিও আছে এমন দাবী ভুক্তোভোগীদের। ইন্টেরিম সরকারের সময় নলছিটি উপজেলার স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগন। তৎকালীন সময়ে ওই সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের বেতন বিল ছাড়াতেও আনিসুরর রহমানকে টাকা দিতে হত বলে অভিযোগ আছে। এছাড়া নলছিটি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাট বাজার খেয়াঘাট ইজারার টেন্ডার বিজ্ঞাপন পত্রিকায় ছাপানোর জন্য নিজে নিয়ে পত্রিকা অফিস থেকে কমিশন আদায় করতেন। এরপর দরপত্র কেনাবেচা থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে নির্ধারিত লোককে ইজারা দেওয়ার ব্যাবস্থা করতেন এই প্রশাসনিক কর্মকর্তা।

বর্তমানে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক এবং সদস্য নিয়োগেও তাকে খুশি করতে হয়েছে বলে গোপন সূত্রে জানা গেছে , বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাদের আত্মীয় পরিচয় দেওয়ার কারনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা তাকে কিছু বলতে বিব্রত বোধ করেন।

যখন যে সরকার তখন সেই সরকারি দলের জেলা পর্যায়ের কোনো নেতার আত্মীয় পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত নলছিটিতে অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে ঘুষ বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন আনিসুর রহমান। এ থেকে পরিত্রান চায় নলছিটি উপজেলাবাসী।

এই বিষয়ে নলছিটি উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা আনিসুর রহমানের কাছে মোবাইলে জানতে চাইলে তার ব্যবহারকৃত নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া গেছে এবং আজকে উনি অফিসে আসেননি ছুটিতে আছে বলে জানা গেছে অফিস সূত্রে।



এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?