শিরোনামঃ

পলিথিন ও প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে সুন্দরবন সুরক্ষায় যুবসম্মেলন ২০২৫


মাসুদ রেজা ফয়সাল

স্টাফ রিপোর্টারঃ

খুলনা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আজ সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হলো ‘পলিথিন ও প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে সুন্দরবন সুরক্ষায় যুবসম্মেলন ২০২৫’।

এই যুবসম্মেলনে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর ও বরগুনা জেলার ১৭টি উপজেলার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।


অনুষ্ঠানটি জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসেন চৌধুরী।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা 'রূপান্তর'-এর নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার গুহ।


বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রূপান্তরের নির্বাহী পরিচালক মোঃ রফিকুল ইসলাম।

‘ইয়ুথ ফর সুন্দরবন’ সদস্য খাদিজা আক্তার সাথী পলিথিন দূষণ রোধে বক্তব্য রাখেন।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন 'ইকো সুন্দরবন প্রকল্প'-এর বরগুনা জেলা সমন্বয়কারী অনুপরায়।


সংহতি প্রকাশ ও মতামত প্রদান করেন:

মনির হোসেন কামাল, আহ্বায়ক, জার্নালিজম ফর সুন্দরবন, বরগুনা

এস. এম. রেজাউল ইসলাম শামীম, আহ্বায়ক, জার্নালিজম ফর সুন্দর

মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল, আহ্বায়ক, সাতক্ষীরা

মোঃ কামরুজ্জামান, আহ্বায়ক, বাগেরহাট

এনামুল হক, আহ্বায়ক, খুলনা

মোঃ নূর আলম শেখ, পশুর রিভার ওয়াটারকিপার ও যুগ্ম সম্পাদক, CAPA

নির্মল কুমার পাল, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, ওয়াইল্ডলাইফ সুন্দরবন বন বিভাগ

মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, সুন্দরবন পূর্ব, বাগেরহাট

এ. জেড. এম. হাসানুর রহমান, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, সুন্দরবন পশ্চিম, খুলনা

সমাপনী অধিবেশন পরিচালনা করেন সুন্দরবন একাডেমির নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ আনোয়ারুল কাদীর।

উল্লেখ্য, এই সম্মেলন রূপান্তর আয়োজিত 'ইকো সুন্দরবন প্রকল্প'-এর অংশ। প্রকল্পের আওতায় ১৭টি উপজেলায় ১৭টি যুব নেটওয়ার্ক কাজ করছে। তারা পলিথিন ও প্লাস্টিক দূষণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এলাকায় প্রচারাভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের প্রায় ৬০% অংশ বাংলাদেশে অবস্থিত—বিশেষত খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর ও বরগুনা উপকূলে। এ বন প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা এবং উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ রক্ষাকবচ।

সরকার ১৯৯৯ সালে সুন্দরবনের আশেপাশের ১০ কিলোমিটার এলাকাকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে। কিন্তু, পলিথিন ও প্লাস্টিক বর্জ্যের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে এই এলাকার মাটি, পানি, উদ্ভিদ ও প্রাণিকুল আজ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। মাইক্রোপ্লাস্টিক আজ নতুন এক পরিবেশগত আতঙ্ক।

প্রায় ৩০ লাখ মানুষ সুন্দরবনের বনজ ও জলজ সম্পদের ওপর প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। এই বন রক্ষায় সবাইকে সচেতন ও একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান বক্তারা।



এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?