শিরোনামঃ

নিষেধাজ্ঞা ২২ দিন শেষে হলেও মিলছেনা কাঙ্খিত ইলিশ দুশ্চিন্তায় জেলেরা


সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী, প্রতিনিধি 

দীর্ঘ ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা পাচ্ছেন না পটুয়াখালীর জেলেরা। গত মধ্যরাতে ছোট ছোট ট্রলার নিয়ে কুয়াকাটাসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যাওয়া অধিকাংশ জেলে শুক্রবার সকালে তীরে ফিরেছেন অল্প কিছু ইলিশ নিয়ে। এতে হতাশা দেখা দিয়েছে তাদের মধ্যে। তবে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে সপ্তাহখানেক আগে গভীর সাগরে যাওয়া কিছু জেলে ফিরেছেন প্রচুর ইলিশসহ অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ নিয়ে।

শুক্রবার সকাল থেকে পটুয়াখালীর মহিপুর ও আলীপুরের বৃহৎ মৎস্য অবতরণকেন্দ্রে মাছের বেচাকেনা ঘিরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁকডাকে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। তবে বাজারে ইলিশের সরবরাহ আশানুরূপ না হওয়ায় দাম কমেনি। ফলে ইলিশের আকাল ও উচ্চমূল্য-দুইয়েরই প্রভাব পড়েছে বাজারে।

মহিপুর ও আলীপুরের মৎস্য অবতরণকেন্দ্রে নিলামের মাধ্যমে প্রতি কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়। ৭০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের দাম কেজিপ্রতি ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৭০০ টাকা। ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকায়। আর ছোট আকারের জাটকা ইলিশের দাম কেজিপ্রতি ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, গভীর সাগরে মাছ ধরতে যাওয়া সব ট্রলার তীরে ফিরলে বাজারে ইলিশের সরবরাহ বাড়তে পারে। এতে দামও কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন নিশ্চিত করতে গত ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সাগর ও নদীতে সব ধরনের মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল সরকার। নিষেধাজ্ঞার সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর জেলেরা নতুন আশায় সাগরে ফিরলেও প্রথম দফায় প্রত্যাশিত ইলিশ না পাওয়ায় তাঁদের সেই আশায় কিছুটা ভাটা পড়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?