শিরোনামঃ

কেশবপুরে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থীর বাসভবনে ককটেল ছুড়ল দুর্বৃত্তরা।



রুস্তম ফারাজী, কেশবপুর উপজেলা প্রতিনিধি।



যশোরের কেশবপুর উপজেলায় গভীর রাতে ১১ দলীয় জোট মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী অধ্যাপক মুক্তার আলীর নিজ বাসভবনে ককটেল বিস্ফোরণ ও সাধারণ ভোটার ও জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির  প্রতিবাদে সোমবার সকালে কেশবপুর পৌর জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কেশবপুরে দাঁড়িপাল্লার প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট সাইদুর রহমান। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, রোববার  গভীর রাতে যশোর ০৬ সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী অধ্যাপক মুক্তার আলীর নিজ বাসভবনে একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ হাত বোমা বা ককটেল সাদৃশ্য বস্তু কে বা কারা নিক্ষেপ করে এবং দলের পক্ষ থেকে এই  পরিকল্পিত ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, এই হামলা কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি আইন শৃঙ্খলা অবনতির একটি নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভীত সন্ত্রস্ত ও আতঙ্ক তৈরি এবং জনপ্রিয় প্রার্থীকে দমিয়ে রাখার জন্য এ ধরনের সন্ত্রাসী কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে বলে তারা মনে করেন। সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট ভাষায় তারা বলেন, এই হামলা শুধু একজন প্রার্থীর ওপর নয়, এটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের ওপর সরাসরি আঘাত করা। এটি সংবিধান, গণতন্ত্র এবং জনগণের ভোটারাধিকার কে হুমকির মুখে পড়ার শামিল।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, যশোর জেলা জামায়াতের সরকারি সেক্রেটারি বিল্লাল হোসাইন, কেশবপুর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রফিকুল ইসলাম, নায়েবে আমির মাওলানা রেজাউল ইসলাম, সহ সেক্রেটারি তবিবুর রহমান, এন সি পির উপজেলা সমন্বয়ক সম্রাট হোসেন, জামাতের অ্যাডভোকেট ওজিউর রহমান ও  পৌর জামাতের আমির জাকির হোসেন প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলন শেষে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করা হয়।

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?