- প্রকাশিত: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০২:০৮ পিএম
জনতার প্রত্যাশা মন্ত্রী সভায় ঠাই পাক ৩ হেভিওয়েট জননেতা
সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী, প্রতিনিধি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালীর ৪ টি আসনের মধ্যে বিএনপি ও বিএনপি জোটের ৩ জন সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে পটুয়াখালী -১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক স্বরাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল( অবঃ) আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী। পটুয়াখালী -৩ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী গণ অধিকার পরিষদ এর সভাপতি ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর ও পটুয়াখালী -৪ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বনির্ভর বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন। এক কথায় এ ৩ জন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে জয়লাভ করেছেন। এরপর থেকেই বিশেষ করে তাদের সংসদীয় এলাকায় জল্পনা কল্পনা শুরু করেছেন মানুষ জন পটুয়াখালী জেলা থেকে কে কে হবেন মন্ত্রী। জানা গেছে , ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করেন তৎকালীন ৪ দলীয় জোট সরকার। সেই সরকারের মন্ত্রী সভায় ঠাই হয় তৎকালীন পটুয়াখালী -১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য এয়ার ভাইস মার্শাল( অবঃ)
আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরীর।পরে তিনি পর্যায়ক্রমে স্বরাষ্ট্র ও বানিজ্যে মন্ত্রী হয়ে তাঁর দায়িত্ব পালন করেন। এদিকে তুখোড় ছাত্রনেতা থেকে জননেতা হয়ে রাজপথ কাপিয়ে বিগত দিনে টক শোতে আলোচনায় ছিলেন এবিএম মোশাররফ হোসেন। তৎকালীন সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কলাপাড়ার কোনও এক জনসভায় বলেছিলেন নাকি মোশাররফ কে নির্বাচিত করলে এবং বিএনপি সরকার গঠন করলে তাকে মন্ত্রী দেয়া হবে। অন্যদিকে কোটা বিরোধ আন্দোলন থেকে শুরু করে ডাকসুর ভিপি হয়েছেন বিগত দিনে নুরুল হক নুর। এরপর তিনি দল গঠন করেছেন গণ অধিকার পরিষদ( জিওপি)। এবার প্রথম বারেই দাড়িয়ে হয়েছেন সংসদ সদস্য। জনশ্রুতি রয়েছে সাবেক সরকার পতনে তাঁর ভূমিকা অস্বীকার করার প্রশ্নই ওঠে না। পরিশেষে দেখার পাল্লা এ ৩ জনের মধ্যে কে কে মন্ত্রী সভায় ঠাই পান এবং পান কোন কোন মন্ত্রণালয়। এছাড়াও পটুয়াখালী -১,পটুয়াখালী -৩ ও পটুয়াখালী -৪ আসনের মানুষজন প্রত্যাশা করছেন তাঁরা ৩ জনই মন্ত্রী হন। তাঁরা মন্ত্রী হলে পটুয়াখালী জেলায় ব্যাপক উন্নয়ন মূলক কাজ করে জনগণের চাহিদা পূরন করতে পারবেন। প্রসঙ্গত: পটুয়াখালী -১ আসনে১৯ ৯১ ও ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপি ও ৪ দলীয় জোট সরকার গঠন করলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র ও বানিজ্যে মন্ত্রী দেয়া হয়। ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে ধর্মমন্ত্রী দেয় হয়। ১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে পটুয়াখালী -৩ আসনে বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী দেয়া হয়। ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে পটুয়াখালী – ৪ আসনে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী দেয়া হয়। এরপর একই আসনে সাবেক সরকার ত্রান ও দূর্যোগ প্রতিমন্ত্রী দেয়।
এই বিভাগের আরো খবর
-
বিশ্ব স্বীকৃতি পাওয়া ‘জলবায়ু কার্যক্রম ও শান্তির জন্য তরুণ’ উদ্যোগের মাধ্যমে ঝালকাঠির শিক্ষার্থীদের জলবায়ু নেতৃত্ব বিকাশের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শিক্ষার্থীদের...
-
যবিপ্রবি প্রতিনিধি"জুলাই গণগঅভ্যুত্থান দিবস" পালন উপলক্ষে দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) বীর প্রতীক...
অনলাইন ভোট
-
-
মায়ের জানাজার সময় গাজীপুরের বিএনপি নেতা আলী আজমকে হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখার ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে বলেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আপনি কি মনে করেন?
-
-
খেলাপি ঋণ কমাতে ব্যাংকঋণ পরিশোধে বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও ছাড় দিয়েছে। এতে প্রকৃত খেলাপি ঋণ কমবে বলে আপনি কি মনে করেন?
খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?
এখনই সাবস্ক্রাইব করুন প্রিয় বিষয়ের নিউজলেটার!