- প্রকাশিত: ১০ মার্চ ২০২৬ ০৭:০৩ পিএম
গলাচিপায় বিলুপ্তির পথে হাতে ভাজা মুড়ির ঐতিহ্য
সঞ্জিব দাস, গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি সারা বছরই মুড়ির কদর থাকে। কিন্তু রমজান আসলে মুড়ির চাহিদা বেড়ে যায় কয়েকগুণ । লবণপানি আর রসুন দিয়ে হাতে ভাজা মুড়ির স্বাদই অন্যরকম। কিন্তু মেশিনে তৈরি মুড়ির দাপটে হারিয়ে যাচ্ছে হাতে ভাজা মুড়ি । ফলে আধুনিক জীবনযাত্রা পরিবর্তনের ছোঁয়া গলাচিপা থেকে বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যবাহী হাতে ভাজা মুড়ি। জানা যায়, ১৫০ থেকে ২০০ বছর ধরে পটুয়াখালীর গলাচিপা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের শাহা বাড়ির প্রায় সবাই মুড়ি হাতে ভাজার কাজ করত। কিন্তু এখন মাত্র ২ থেকে ৪টি পরিবার মুড়ি ভাজার কাজ করে। বাকি পরিবারগুলো মেশিনের মুড়ির দাপটে প্রতিযোগিতার বাজারে টিকতে না পেরে পেশা বদলে নিয়েছেন। জীবিকার তাগিদে কেউ দিনমজুর, চটপটি, কেউ কৃষিকাজসহ বিভিন্ন পেশায় জড়িয়ে পড়েছেন। ওই এলাকার একাধিক বাসিন্দা জানান, ছোটবেলা থেকেই তারা বাপ-দাদার সঙ্গে হাতে ভাজা মুড়ি তৈরি করে পাইকারদের কাছে বিক্রি করতেন। সে সময় এ মুড়ির চাহিদা অনেক ছিল। রাত-দিন ভেজেও চাহিদা শেষ করতে পারতেন না। কিন্তু বাজারে মেশিনে মুড়ি আসার পর থেকে আস্তে আস্তে হাতে ভাজা মুড়ির চাহিদা কমতে শুরু করেছে। আর এখন নেই বললেই চলে। বাধ্য হয়ে তাদের গ্রামের প্রায় সবাই মুড়ি ভাজা বাদ দিয়ে অন্য পেশায় চলে গেছেন। বকুলবাড়িয়া কলেজের প্রভাষক মু. জাহিদুল ইসলাম মিন্টু বলেন, মুড়ি শিল্পের সঙ্গে জড়িত কারিগরদের দাবি সরকার যদি এ শিল্প বাঁচাতে এগিয়ে আসে তাহলে তাদের জীবিকা রক্ষা পাবে। আর এ জন্য প্রয়োজন মুড়ি বিক্রির নিশ্চয়তা।
এই বিভাগের আরো খবর
-
সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী, প্রতিনিধি পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের চরলতা এলাকায় সরকারি খাসজমি ও খাস খাল দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও...
অনলাইন ভোট
-
-
মায়ের জানাজার সময় গাজীপুরের বিএনপি নেতা আলী আজমকে হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখার ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে বলেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আপনি কি মনে করেন?
-
-
খেলাপি ঋণ কমাতে ব্যাংকঋণ পরিশোধে বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও ছাড় দিয়েছে। এতে প্রকৃত খেলাপি ঋণ কমবে বলে আপনি কি মনে করেন?
খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?
এখনই সাবস্ক্রাইব করুন প্রিয় বিষয়ের নিউজলেটার!