শিরোনামঃ

বরগুনার ​বামনায় প্রেমঘটিত বিরোধে যুবককে কুপিয়ে জখম


​স্টাফ রিপোর্টার:

 বামনায় প্রেমঘটিত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মো. ইকবাল হোসেন (৪০) নামে এক যুবককে প্রকাশ্য দিবালোকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসময় হামলাকারীরা তার সাথে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয় বলে ভুক্তভোগী দাবি করেছেন।

​শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ২নং বামনা সদর ইউনিয়নের বেগম ফয়জুন্নেসা মহিলা ডিগ্রি কলেজ রোডস্থ এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত ইকবাল হোসেন পশ্চিম সফিপুর গ্রামের মৃত কাসেম আলী হাওলাদারের ছেলে।

​স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, সকালে ইকবাল হোসেন রিকশাযোগে বামনা বাজার থেকে লঞ্চঘাটের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে মহিলা কলেজ রোডে পৌঁছালে একটি মোটরসাইকেল যোগে এসে হামলাকারীরা রিকশার গতি রোধ করে। এসময় পশ্চিম সফিপুর গ্রামের মৃত শামসুল হকের ছেলে মো. বাদল (৪৮) ও বেবাজিয়াখালী গ্রামের মৃত মনসুর গোলদারের ছেলে মো. পলাশ গোলদার (৫৫) তাকে রিকশা থেকে নামিয়ে বেধড়ক মারধর ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে পালিয়ে যায়।

​পরবর্তীতে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাৎক্ষণিক বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) প্রেরণ করেন।

​আহত ইকবাল হোসেন অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা তার সাথে থাকা নগদ ৭ লাখ টাকা ও গলার স্বর্ণের চেইন লুটে নিয়েছে। তবে বাদলের স্ত্রী রোজিনা বেগম জানান, ইকবাল ও বাদল সম্পর্কে আপন ফুফাতো-মামাতো ভাই। এর বাইরে তিনি কিছু জানেন না।

​ঘটনার বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত বাদল ও পলাশ গোলদারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

​বামনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক জানান, আহত ইকবালের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় দ্রুত বরিশালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

​বামনা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত/ভারপ্রাপ্ত) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, "ঘটনাটি আমরা শুনেছি। এখনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"


এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?