শিরোনামঃ

কেশবপুরে  ড. সুকুমার রায়ের স্বরণে শিক্ষাবৃত্তি চালু

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক ও কেশবপুরের কৃতি সন্তান প্রয়াত ড. সুকুমার রায়ের স্মরণে শিক্ষাবৃত্তি চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন-ক্যাম্পাস মাস্টার্সের সেরা ফলাফল ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সকল কলেজের সেরা ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা ওই বৃত্তি পাবেন।  কৃতী গবেষক ও শিক্ষক সুকুমার রায় কেশবপুর উপজেলার হাসানপুর ইউনিয়নের বুড়িহাটি গ্রামের বৈদ্যনাথ রায়ে ছেলে ছিলেন। তিনি ২০২১ সালের ৭ জুলাই করোনায় আক্রায় হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

গত বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ‘ড. সুকুমার রায় মেধা বৃত্তি’ ফান্ডের দাতা ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর শেষে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে ফান্ডে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হয়। প্রতি বছর এ অর্থের লভ্যাংশ থেকে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন-ক্যাম্পাস মাস্টার্সের সেরা ফলাফল ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সকল কলেজের বাংলা বিভাগের মাস্টার্সের সেরা ফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীকে এ মেধা বৃত্তি দেওয়া হবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) ও ‘ড. সুকুমার রায় মেধা বৃত্তি’ ফান্ডের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. এএসএম আমানুল্লাহ এবং সুকুমার রায়ের স্ত্রী রীতা ব্রহ্ম এ সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ‘ড. সুকুমার রায় মেধা বৃত্তি’ তহবিলের সদস্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এটিএম জাফরুল আযম, রেজিস্ট্রার মোল্ল্যা মাহফুজ আল-হোসেন, ফান্ডের সদস্য সচিব ও ফ্যাকাল্টি অব হিউম্যানিটিস অ্যান্ড ল’র চেয়ারম্যান ড. সৈয়দ হাদিউজ্জামান, বাংলা বিভাগের শিক্ষক ইমন সালাউদ্দিন, সুকুমার রায়ের পুত্র সুদীপ ব্রহ্ম রায় প্রমূখ।

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?