শিরোনামঃ

গোপালগঞ্জে মুকসুদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইউপি সদস্যকে শারীরিক লাঞ্ছিত করার অভিযোগ


নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে ইউপি সদস্য মো: মোশাররফ হোসেন মোল্লাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আব্দুল জব্বারের বিরুদ্ধে।


এ ঘটনায় ওই ইউপি সদস্য মো: মোশাররফ হোসেন মোল্লা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।


বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিসে এ ঘটনা ঘটে।


লাঞ্ছিত হওয়া মো: মোশাররফ হোসেন মোল্লা মুকসুদপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ড সদস্য।


জানাগেছে, মুকসুদপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ডাঙ্গা দুর্গাপুর পাকা রাস্তা হতে সিদ্দিক মোল্লার বাড়ি পর্যন্ত মাটির রাস্তা নির্মাণ লক্ষ্যে মুকসুদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় ১৪ টন গম বরাদ্দ করেন। পরবর্তীতে কর্তৃপক্ষ ১৪টন গমের স্থলে সাড়ে ১০টন চাউল বরাদ্দ দেয়। সেই মোতাবেক গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড সদস্য মো: মোশাররক হোসেন মোল্লা কাজের সিপিসি হয়ে প্রথম কিস্তির টাকা উত্তোলন করে কার্যক্রম শুরু করেন এবং নিজের ব্যক্তিগত টাকা দিয়ে প্রজেক্টের কাজের বাকী অংশ সম্পন্ন করেন।


ইউপি সদস্য মো: মোশাররফ হোসেন মোল্লার লিখিত অভিযোগে জানাগেছে, ইতিপূর্বে মুকসুদপুর উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার কাজের বিষয় ২০ হাজার টাকা উৎকোচ নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) বেলা ১১টায় তিনি ফাইনাল বিল উত্তোলনের জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারের নিকট গেলে তিনি বিল নিয়ে তালবাহানা শুরু করে। এসময় তিনি আরো উৎকোচের টাকা দাবি করে করলে দিতে অস্বীকৃতি জানান। বিষয়টি নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হলে এক পর্যায়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল জব্বার ওই ইউপি সদস্য মোঃ মোশাররফ হোসেন মোল্লাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এসময় তার সার্টের কলার ধরে গালিগালাজ করে মারপিট পরে। পাশের রুমের থেকে লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করেন।


এই বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল জব্বারের বক্তব্য নিতে তার মোবাইলে (০১৭৯৮০৭৯০০৬) নম্বরে কয়েকবার ফোন করলেও রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।


লাঞ্ছনার শিকার ইউপি সদস্য মোশাররফ হোসেন মোল্লা বলেন, আমাকে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই। এ ব্যাপারে অভিযোগ দিয়েছি। আশা করি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যবস্থা নিবেন।


এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবির বলেন, আমার অফিসে একটি অভিযোগ দিয়েছে এটা জানতে পেরেছি। তবে অভিযোগটি আমি এখনো দেখিনি। আগামীকাল অভিযোগপত্র দেখবো এবং বিষযটি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করবো। #

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?