শিরোনামঃ

গোপালগঞ্জে বিনাধান-১০ এর চাষাবাদ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত



নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে বিনা উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল বোরো ধানের জাত বিনাধান-১০ এর চাষাবাদ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।


কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় বিনা উপকেন্দ্র গোপালগঞ্জ এ মাঠ দিবসের আয়োজন করে।


আজ মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকালে কাশিয়ানী উপজেলার ঘোনাপাড়া গ্রামে অনুষ্ঠিত এ  মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মোঃ মামুনুর রহমান।


বিনা উপকেন্দ্র গোপালগঞ্জের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. মোঃ হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসে কাশিয়ানী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাজী এজাজুল করীম, বিনা উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সৌরভ অধিকারী, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জীবন কুমার ঘোষ, কৃষক মঞ্জু ফকির বক্তব্য রাখেন।


বিনাধান-১০ চাষী মঞ্জু ফকির বলেন, বোরো ধান চাষের সময় আমাদের এলাকায় লবনাক্ত পানি চলে আছে। এতে আমাদের জমিতে ধান চাষ করতে পারতাম না। পরে আমি বিনা উপকেন্দ্রে যোগাযোগ করলে আমাকে বিনাধান-১০ দেওয়া হয়। এ ধান চাষ করে আমার জমিতে ভালো ফলন হয়েছে। আগামীতেও আমি এ ধানের চাষ করবো।


অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড.মামুনুর রহমান বলেন, আমাদের জেলায় বোরো ধানের আবাদ বেশি হয়। তবে যেসব এলাকায় লবণাক্ত পানি চলে আসে সেখানে বিনাধান-১০ অধিক কার্যকর। লবণাক্ত জমিতেও এ জাতের ধানের ভালো ফলন হয়। তাই সকলকে এ জাতের ধান চাষে আহবান জানান তিনি।


অনুষ্ঠানের সভাপতি বিনা উপকেন্দ্র গোপালগঞ্জের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. মোঃ হারুন অর রশিদ বলেন, কৃষকদের সহযোগিতা করতে বিনা উপকেন্দ্র সব সময় কাজ করে যাচ্ছে। এ ধানের জাত লবণাক্ত সহিষ্ণু হওয়ায় লবণাক্ত জমিতে ধানের ফলন ভালো হয়। বিঘা প্রতি প্রায় ৪০ মন ধান উৎপাদন হয়। এ ধান থেকে বীজও করা যাবে। এতে কৃষকের অর্থ সাশ্রয় হবে এবং লাভবান হবে। #

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?