- প্রকাশিত: ১ আগস্ট ২০২৬ ১১:০৯ পিএম
গলাচিপায় ছেঁড়া কম্বল, মানুষের দেয়া খাবার আর অন্যের সহায়তায় চলছে রেকসনার জীবন: একটু সহায়তার অপেক্ষায় অসহায় পরিবার।
সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী, প্রতিনিধি
গলাচিপা সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ চরখালী গ্রামের বাসিন্দা রেকসোনা। স্বামীকে হারানোর পর চার মেয়েকে নিয়ে প্রতিদিনই তাকে লড়তে হচ্ছে বেঁচে থাকার কঠিন সংগ্রামে। নিজের কোনো জমি বা ঘর নেই। অন্যের জায়গায় ছোট্ট একটি জরাজীর্ণ কুঁড়েঘরে কোনোমতে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি।
ঘরের চারপাশে পাতার জীর্ণ বেড়া। মাথার ওপর টিনের ছাউনি নেই—পলিথিন দিয়েই কোনোরকমে ঢেকে রাখা হয়েছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই সেই পলিথিন ভেদ করে ঘরের ভেতরে পানি পড়ে। রাতভর মাটির ভেজা মেঝেতে চার মেয়েকে নিয়ে নির্ঘুম কাটাতে হয় রেকসোনাকে।
চরম দারিদ্র্যের কারণে চার মেয়ের কাউকেই নিয়মিত বিদ্যালয়ে পাঠাতে পারছেন না তিনি। দুবেলা খাবার জোগাড় করাই যেখানে কঠিন, সেখানে লেখাপড়ার খরচ বহন করা তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে উঠেছে। ফলে অনিশ্চয়তার অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছে চারটি শিশুর ভবিষ্যৎ।
রেকসোনার সংসার চলে মানুষের দান-অনুদান, পুরোনো কাপড়, ছেঁড়া কম্বল এবং প্রতিবেশীদের দেওয়া খাবারের ওপর নির্ভর করে। কোনো দিন খাবার জোটে, কোনো দিন জোটে না। তবুও সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে প্রতিদিন নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখেন তিনি।
স্থানীয়দের ভাষ্য, রেকসোনার মতো অসহায় মানুষের জন্য সরকারি কিংবা বেসরকারি সহায়তা অত্যন্ত প্রয়োজন। একটি নিরাপদ ঘর, খাদ্য সহায়তা এবং শিশুদের লেখাপড়ার ব্যবস্থা করা গেলে পরিবারটি নতুন করে বাঁচার আশা ফিরে পাবে।
মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান—রেকসোনা ও তার চার মেয়ের পাশে দাঁড়ান। সামান্য সহায়তাই পারে একটি অসহায় পরিবারের জীবন বদলে দিতে।
এই বিভাগের আরো খবর
-
# এক শিক্ষকের নামই রয়েছে ৭ টি গবেষণাপত্রেরোকাইয়া: যবিপ্রবি প্রতিনিধি গবেষণাপত্রে লেখকত্ব বা প্রতিষ্ঠানের পরিচয় নিয়ে সমস্যা, তথ্যসূত্র বা রেফারেন্স সংক্রান্ত...
-
সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী, প্রতিনিধি জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পটুয়াখালীর গলাচিপায় জামায়াতের গণমিছিল হয়েছে।...
অনলাইন ভোট
-
-
মায়ের জানাজার সময় গাজীপুরের বিএনপি নেতা আলী আজমকে হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখার ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে বলেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আপনি কি মনে করেন?
-
-
খেলাপি ঋণ কমাতে ব্যাংকঋণ পরিশোধে বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও ছাড় দিয়েছে। এতে প্রকৃত খেলাপি ঋণ কমবে বলে আপনি কি মনে করেন?
খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?
এখনই সাবস্ক্রাইব করুন প্রিয় বিষয়ের নিউজলেটার!