শিরোনামঃ

দারিদ্র্য ও বৈষম্য নিরসনে সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা এবং পর্যাপ্ত অর্থায়নের দাবি

২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের সময়সীমা শেষ হতে আর মাত্র চার বছর বাকি থাকলেও, এখন পর্যন্ত নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ১৯ শতাংশ সঠিক পথে রয়েছে। এ সংকট নিরসনে এসডিজি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ, পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং পার্বত্য অঞ্চলে পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উন্নয়ন পরিকল্পনার মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করার জোর দাবি জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। ‘গ্লোবাল অ্যাকশন উইক’ উপলক্ষ্যে আজ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার বিকাল ০৩:৩০ টায় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটি, বরিশালে জিক্যাপ (GCAP), এসডিজি অ্যাকশন অ্যালায়েন্স বাংলাদেশ, এনআরডিএস এবং সমন্বিত সমাজ উন্নয়ন সংস্থা (আইসিডিএ)-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক নাগরিক সম্মিলনে এ দাবি তুলে ধরা হয়।


আইসিডিএ-এর প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী পরিচালক ও বর্তমান কার্যকরী পরিষদের সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার জাহিদের সভাপতিত্বে এ জনসম্মিলনের ধারণাপত্র সম্পর্কে আলোচনা করেন আইসিডিএ'র নির্বাহী পরিচালক জনাব কাজী নওশাদ রাসেল। উন্নয়ন সংগঠন ম্যাপ এর নির্বাহী পরিচালক শুভংকর চক্রবর্তীর সঞ্চালিত এ জনসম্মিলনে আলোচনায় অংশ নেন স্থানীয় প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। 


সম্মিলনে বক্তারা স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক সুরক্ষা ও বৈষম্যের ক্ষেত্রে দেশজুড়ে যে চ্যালেঞ্জ রয়েছে, পাহাড়ি অঞ্চলে তা আরও প্রকট। বলে মত প্রকাশ করেন। এসডিজি অর্জনে আগামী চার বছর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখন শুধু পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতির মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবায়নের দিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে।

আলোচকরা এসডিজি বাস্তবায়নে অর্থনৈতিক সুবিচার প্রতিষ্ঠা এবং হত দরিদ্র্র, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি, আদিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে কোন লক্ষ্য কতটা অর্জিত হয়েছে এবং কোথায় ঘাটতি রয়েছে—তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করার আহ্বান জানান।


সবশেষে অনুষ্ঠানের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার জাহিদ উপস্থিত অতিথিবৃন্দ, আলোচক, অংশগ্রহণকারী এবং আয়োজকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে জনসম্মিলনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?