শিরোনামঃ

চালের ডিলারশিপ নিয়ে বিরোধ,হাসান ফরাজি বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় যুবদল নেতা তৈয়বুর রহমান মাতব্বর কে নিয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানালেন দলীয় নেতাকর্মীরা।


 মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশ,ভোলা: ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালের ডিলারশিপ ও ব্যবসায়িক লভ্যাংশ নিয়ে পক্ষিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তৈয়বুর রহমান মাতব্বর ও সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম ওরফে হাসান ফরাজীর মধ্যে দ্বন্দ্বের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল চাল বিতরণের পর ব্যবসায়িক লভ্যাংশের পাওনা নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলারশিপ পাওয়ার জন্য গত বছর পক্ষিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তৈয়বুর রহমান মাতব্বর ও সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম ওরফে হাসান ফরাজী আবেদন করেন। পরবর্তীতে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হাসান ফরাজীকে ডিলারশিপ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দুজন সমন্বয় করে ব্যবসা পরিচালনা করবেন বলেও সিদ্ধান্ত হয়। এরপর প্রায় এক বছর ধরে তারা সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি। ব্যবসায়িক খরচ বাদ দেওয়ার পর যে লাভ হতো, তার ৫০ শতাংশ করে দুজনের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া হতো। তবে অসুস্থতার কারণে টানা চার মাসের ব্যবসায়িক লভ্যাংশ নেননি তৈয়বুর রহমান মাতব্বর। গতকাল তিনি ওই চার মাসের পাওনা লভ্যাংশের ৫০ হাজার টাকা দাবি করলে বিষয়টি নিয়ে তৈয়বুর রহমান মাতব্বর ও হাসান ফরাজীর মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি দলীয়ভাবে মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হলে হাসান ফরাজী তৈয়বুর রহমান মাতব্বরকে ৫০ হাজার টাকা দিতে বাধ্য হন বলে দাবি করেন তৈয়বুর রহমান। তবে তৈয়বুর রহমানের অভিযোগ, ওই ঘটনার পর রাতেই বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হয়। এ ঘটনায় হাসান ফরাজী তার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ‘চাঁদাবাজ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে অপপ্রচার চালিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। তৈয়বুর রহমান মাতব্বর বলেন, “দীর্ঘদিন আমরা একসঙ্গে ব্যবসা করেছি, একসঙ্গে চলেছি। তখন কোনো সমস্যা হয়নি। কিন্তু গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাকে চাঁদাবাজ ট্যাগ দেওয়া হয়েছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আপনারা তদন্ত করে দেখেন, ঘটনাটি সত্য কি না।” এদিকে পক্ষিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি জাকির হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুজন, ছাত্রদলের সভাপতি হাসান মোল্লা, স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব পাবেল হাওলাদার ও যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন ফরাজী বলেন, “ঘটনাটি মূলত ব্যবসায়িক বিষয়। কিন্তু তৈয়বুর রহমানের মান-সম্মান ক্ষুণ্ন ও তাকে সামাজিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য দেওয়া হয়েছে। এসব তথ্যের সঙ্গে প্রকৃত ঘটনার কোনো মিল নেই।” তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পক্ষিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রহিম ওরফে হাসান ফরাজী বলেন, “তার সঙ্গে আমার কোনো ব্যবসায়িক সম্পর্ক নেই। আপনারা তদন্ত করে দেখুন।

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?