শিরোনামঃ

বয়স্ক ভাতার টাকা আত্মসাতের  অভিযোগ ইউপি সদস্যের   বিরুদ্ধে


নিজস্ব প্রতিবেদক:

 ভাতার টাকা পাঠানোর স্থানে ভাতাভোগীর মোবাইল নাম্বার না দিয়ে নিজ ছেলের মোবাইল নাম্বার দিয়ে বয়স্ক ভাতার টাকা উত্তোলণ করে আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। এঘটনায় ভাতাভোগী পরিবার সহ স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড হাপানিয়া গ্রামের।


হাপানিয়া গ্রামের বাসিন্দা লিয়াকত আলী খান অভিযোগ করে বলেন, ৫নং ওয়ার্ড হাপানিয়া গ্রামের ইউপি সদস্য সোলায়মান মৃধা আমার নামে বয়স্ক ভাতা করে দেওয়ার কথা বলে দুই বছর পূর্বে আমার কাগজপত্র নেয়। পরবর্তীতে আমার নামে একটি বয়স্ক ভাতা হয়। বয়স্ক ভাতা আমার নামে হলেও ইউপি সদস্য সোলায়মান তার নিজের ছেলের মোবাইল নাম্বার দিয়ে আমার বয়স্ক ভাতার টাকা আত্মসাৎ করে আসছে।

ভাতাভোগীর ছেলে সাহাদাত খান অভিযোগ করে বলেন, ইতিমধ্যে ভাতার ছয়মাসের টাকা আত্মসাৎ করেছে ইউপি সদস্য সোলায়মান। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দা ও আমরা প্রতিবাদ করায় তার পক্ষে মিথ্যে বলার জন্য আমাদেরকে হুমকি প্রদান করে যাচ্ছে। 


এবিষয়ে ইউপি সদস্য সোলায়মান মৃধা বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা সঠিক নয়। আমার ছেলের নাম্বারে কোন টাকা ঢুকেনি। আত্মসাতের অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার করায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। 


উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুশান্ত বালা বলেন, গত তিনমাস পূর্বে লিয়াকত আলী খানের নামে একটি বয়স্ক ভাতা হয়। ভাতা হওয়ার পরপরই ভাতাভোগীর ফরমে দেওয়া ০১৬৩০৪০৪৬২৩ নাম্বারে তিনমাসের টাকা প্রেরণ করা হয়েছে। আরো তিনমাসের টাকা সহ মোট ৩ হাজার নয়শ’ টাকা ওই নাম্বারে প্রেরণ করা হয়েছে। এবিষয়ে ভাতাভোগী লিখিত অভিযোগ দিলে নাম্বার পরিবর্তনসহ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


এবিষয়ে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীম বলেন, ভাতাভোগী পরিবারের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?