শিরোনামঃ

বরিশালে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ৬ষ্ঠ ব্যাচের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, অংশ নিলেন ৪৭৯ জন পরীক্ষার্থী



বরিশাল, ৬ মার্চ: যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়াধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন “দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি (১ম সংশোধিত)” শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় বরিশাল জেলায় ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ৬ষ্ঠ ব্যাচের লিখিত পরীক্ষা শুক্রবার (৬ মার্চ) সকাল ১০টায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় বরিশাল জেলা থেকে মোট ১,৫১৯ জন আবেদনকারী আবেদন করেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭৯ জন প্রার্থী বরিশাল নগরীর সিটি কলেজে লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এদের মধ্য থেকে চূড়ান্তভাবে ৭৫ জন প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচন করা হবে, যারা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ৬ষ্ঠ ব্যাচে প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন।

পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন ও সার্বিক তদারকিতে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ মেজিস্ট্রেট আশরাফুজ্জামান পলিন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর বরিশালের উপ পরিচালক মোঃ সাহাবুদ্দীন সরদার, সহকারী পরিচালক প্রিন্স বাহউদ্দিন তালুকদার, ই-লার্নিং এন্ড আর্নিং লিমিটেড বরিশাল বিভাগীয় প্রধান কিশোর চন্দ্র বালা।

লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আগামী ৭ মার্চ অনুষ্ঠিতব্য মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবেন। মৌখিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রশিক্ষণার্থীদের নিয়ে বরিশাল জেলায় শুরু হবে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের ৬ষ্ঠ ব্যাচ।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আওতায় প্রশিক্ষণার্থীদেরকে কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন, ফ্রিল্যান্সিং, বেসিক ইংলিশ, ডিজিটাল মার্কেটিং, সফট স্কিল, স্মার্টফোনের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং ভিডিও এডিটিংসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীরা ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করার সুযোগ পাবে। ইতোমধ্যে ৫টি ব্যাচে প্রায় তিন শতাধিক প্রশিক্ষণার্থী ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ নিয়ে সফলতার সহিত আয়ের উৎস খুঁজে নিয়েছেন।  

উল্লেখ্য, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের এই প্রকল্পটি ধাপে ধাপে সম্প্রসারিত হয়ে বর্তমানে দেশের ৬৪ জেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। এর আগে প্রকল্পটি প্রথমে ১৬ জেলায় এবং পরে ৪৮ জেলায় সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়। বর্তমানে দেশের সকল জেলায় একযোগে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যা তরুণ সমাজের মধ্যে ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে বরিশাল জেলার তরুণ-তরুণীরা ডিজিটাল দক্ষতা অর্জন করে বৈশ্বিক ফ্রিল্যান্সিং বাজারে নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে পারবে এবং ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?