শিরোনামঃ

বরিশাল অক্সফোর্ড মিশন স্কুল  সভাপতির বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্তে শিক্ষাবোর্ড


বরিশাল অফিস


বরিশাল অক্সফোর্ড মিশন হাই স্কুল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ফাদার ফ্রান্সিসের দুর্নীতি এবং অনিয়মের এর বিরুদ্ধে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান এর কাছে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয় অনিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রধান শিক্ষক ও সহ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি। বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ফরহাদ হোসেন বুধবার এই অভিযোগ দেন। অভিযোগে তিনি বর্তমান সভাপতিকে অপসারণ এবং তাকে বাদ দিয়ে নতুন গ্রহণযোগ্য একটি ব্যবস্থা কমিটি প্রদানের দাবি জানান। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বোর্ড চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউনুস আলী সিদ্দিকী।


সভাপতি ফাদার ফ্রান্সিস দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি থাকার কারণে নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে একনায়কতান্ত্রিকভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ব্যাপক আর্থিক অনিময় দুর্নীতি করেছেন তিনি। 


বিদ্যালয়টিতে ফাদার জন হালদারকে যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা ছাড়াই সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ এবং ঐ পদে ৪ বছর অতিবাহিত হতে না হতেই প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ দিয়েছেন সভাপতি। এছাড়া শিক্ষক ইসহাক হালদারকে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে (সভার এজেন্ডা ও সরকারি নিয়ম-নীতি বর্হিভূত) নিয়োগ দিয়েছে। জন হালদারকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে কয়েক লক্ষ টাকা নেয়া হয়েছে বলে দাবি করেন অভিযোগকারী। সহ প্রধান শিক্ষক নিয়োগেও একই পন্থা অবলম্বন করা হয়েছে।


বিশপগণ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তখন কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি ছিল না। অথচ ফাদার ফ্রান্সিস সভাপতির দায়িত্ব নেয়ার পরেই স্বৈরাচারিতা, অনিয়ম, দুর্নীতি শুরু হয়েছে। গত ২৩ এপ্রিল জেলা শিক্ষা অফিসার তদন্তে সত্যতা পেয়েছেন।


তবে এ সকল অভিযোগের বিষয় অসত্য বলে দাবি করেছেন বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ফাদার জন হালদার। তিনি দাবি করেন এটা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। 


বিদায়ের প্রধান শিক্ষক জন হালদার বলেন অভিযোগের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার তদন্তের বিষয়টি তিনি জানেন বলে জানান।

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?