- প্রকাশিত: ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ০৮:৪৩ পিএম
যবিপ্রবি সংলগ্ন প্রধান রাস্তা পরিণত হয়েছে ময়লার পাহাড়ে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও পথচারীরা
রোকাইয়া, যবিপ্রবি প্রতিনিধি:
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) দুটি প্রবেশপথের মাঝখানে সড়কের পাশে দীর্ঘ পাঁচ থেকে ছয় মাস বা তার বেশি সময় ধরে জমে রয়েছে ময়লা-আবর্জনা। দিনের পর দিন জমতে থাকা এসব বর্জ্য থেকে সেখানে তৈরি হয়েছে ময়লার ভাগাড়। ছড়াচ্ছে তীব্র দুর্গন্ধ। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ওই সড়ক দিয়ে চলাচলকারী পথচারীদের।
সড়কের পাশে দীর্ঘদিন ধরে এভাবে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকায় এলাকার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশপথ এবং শিক্ষার্থীদের আবাসস্থলের কাছাকাছি এমন পরিস্থিতি স্বাভাবিক চলাচল ও বসবাসের পরিবেশকে ব্যাহত করছে। দুর্গন্ধের কারণে অনেক শিক্ষার্থী ওই সড়ক এড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরের রাস্তা ব্যবহার করছেন। শিক্ষার্থীদের দাবি, দ্রুত ময়লা অপসারণের পাশাপাশি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে ওই স্থানে আবারও ময়লার ভাগাড় গড়ে উঠতে না পারে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের বিভিন্ন হোটেলের মালিকেরা ড্রামে করে ময়লা-আবর্জনা এনে রাতের আঁধারে ওই স্থানে ফেলে যান। এ ছাড়া আশপাশের বিভিন্ন মেসে কর্মরত অনেকে বালতিতে করে গৃহস্থালি বর্জ্য সেখানে ফেলছেন। বিভিন্ন উৎস থেকে প্রতিনিয়ত বর্জ্য জমতে থাকায় ভাগাড়টি ক্রমেই বড় হচ্ছে। সেই সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ছে দুর্গন্ধ, বাড়ছে আশপাশের মানুষের ভোগান্তি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আকিব ইকবাল বলেন, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পাসের পাশে অবস্থিত ময়লার ভাগাড়ের কারণে চরম স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছি। এটি আমাদের প্রতিনিয়ত ভোগাচ্ছে। এমনকি দুর্গন্ধ ও পরিবেশদূষণ শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে ব্যাহত করছে। তাই শিক্ষার্থীদের সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত ময়লার ভাগাড়টি অপসারণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’
শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. আব্দুল্লাহ বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা বন্ধুরা ওই রাস্তা দিয়ে চলাচলের সময় ময়লার ভাগাড়ের দুর্গন্ধের কারণে পাশ দিয়ে যেতে পারি না। ফলে বাধ্য হয়ে গেটের ভেতরের রাস্তা ব্যবহার করতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তদারকিতে ওই স্থানে ময়লা ফেলা বন্ধ করা হলে আমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ও নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারব।’
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. হামিদুর রহমান বলেন, ‘আমি ইতোমধ্যে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। যেহেতু এটি পরিবেশসংক্রান্ত বিষয়, তাই পরিবেশ কমিটির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে বিষয়টি পাঠিয়েছি।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল হক বলেন, ‘আমরা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছি। যত দ্রুত সম্ভব ওই স্থানে যারা ময়লা-আবর্জনা ফেলছেন, তাঁদের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করব। যেহেতু স্থানটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সীমানার বাইরে, তাই সেখানে সরাসরি বল প্রয়োগ করে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ নেই। তবে স্থানটি আমাদের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত চলাচলের পথ হওয়ায় বিষয়টিকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সমস্যাটি সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
এই বিভাগের আরো খবর
-
সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী, প্রতিনিধি পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের চরলতা এলাকায় সরকারি খাসজমি ও খাস খাল দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও...
অনলাইন ভোট
-
-
মায়ের জানাজার সময় গাজীপুরের বিএনপি নেতা আলী আজমকে হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখার ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে বলেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আপনি কি মনে করেন?
-
-
খেলাপি ঋণ কমাতে ব্যাংকঋণ পরিশোধে বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও ছাড় দিয়েছে। এতে প্রকৃত খেলাপি ঋণ কমবে বলে আপনি কি মনে করেন?
খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?
এখনই সাবস্ক্রাইব করুন প্রিয় বিষয়ের নিউজলেটার!