- প্রকাশিত: ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৩:২০ পিএম
জাতীয় সংসদ নির্বাচন করছেন যবিপ্রবির সাবেক শিক্ষার্থী রাশেদ
যবিপ্রবি প্রতিনিধি:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) রসায়ন বিভাগের ২০১৫-২০১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাশেদ খান। তিনি যশোরে জুলাই আন্দোলনের সম্মুখসারির ছাত্র নেতা এবং যশোর জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক ছিলেন। সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে কাস্তে মার্কায় যশোর-৩ আসনে মনোনয়ন ফর্ম জমা দেন।
যবিপ্রবির একমাত্র শিক্ষার্থী হিসেবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহন করা রাশেদ খান এর আগে ছাত্র ইউনিয়ন যবিপ্রবি শাখার আহ্ববায়ক ছিলেন এবং বর্তমানে তিনি যশোর জেলার ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন।
নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের মানুষের উদ্দেশ্যে রাশেদ খান বলেন, দীর্ঘদিনের ছাত্র রাজনীতি শেষে আমি এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি দেশের বিভিন্ন সংকট দূরকরার লক্ষ্যে। আমি মনে করি আমাদের দেশে রাজনীতিতে বহুবিধ সংকট আছে। এদেশে গ্রামের খেটেখাওয়া কৃষক, শ্রমিক এবং শিক্ষিত শহুরে মধ্যবিত্ত মানুষের সংখ্যা বেশি, তারাই অর্থনীতির চালিকা শক্তি অথচ আমাদের দেশের মোট সম্পদের প্রায় ৬০ শতাংশের মালিকানা ১০ শতাংশ ধনী মানুষের হাতে কুক্ষিগত। দারিদ্র্য আর কোটিপতির এই ব্যবধান বৈষম্যমূলক ব্যবস্থার একটা চুড়ান্ত নিদর্শন৷
তিনি বলেন, অর্থনৈতিক বৈষম্যের প্রসঙ্গটা আগে তুলছি, কারন রাজনীতি হলো অর্থনীতির ঘনীভূত রূপ। আমাদের দেশের রাজনীতি নিয়ন্ত্রিত হয় ওই কোটিপতিদের দ্বারাই। রাজনৈতিক দলের নেতারা এই কোটিপতিদের সেবক। পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক, সাম্রাজ্যবাদী ও আধিপত্যবাদী শক্তিগুলো গত ৫৪ বছরে এই ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলগুলোকে দানবে পরিনত করেছে।
রাশেদ খান আরও বলেন, আপামর জনগনের হয়ে কথা বলার মত নেতা আমরা সংসদে পাঠাতে পারিনি৷ স্বাধীনতা অর্জনের পরও এজন্যই বার বার আমাদের অভ্যুত্থান করা লাগে। কিন্তু আমাদের ভাগ্যের বদল হয় না। তাই এই লুটেরা, দুর্বৃত্ত, কোটিপতি, পরিবারতান্ত্রিক ব্যর্থ ব্যবস্থার পরিবর্তন করে প্রকৃত গণমুখী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আর জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলা সময়ের দাবী। আমি এই অঞ্চলের জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার কাজটাই করে যাচ্ছি।
অসমতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নির্বাচন আমার জন্য অসম লড়াই। কোটি কোটি টাকা, দলকানা, চাটুকার ও সুবিধাবাদী কর্মী বাহিনী ব্যতিত প্রাক-নির্বাচনী শক্তিমত্তা জানান দেওয়ার উপায় আমার নেই। নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের আলাপ তুলে এজন্যই সার্জিস বা হান্নান মাসুদদের শো ডাউন দিতে দেড়'শ গাড়ির বহর লাগে। অথচ আমরা গণ-অভ্যূত্থানের মধ্য দিয়ে একটা পরিবর্তিত সমাজ ব্যবস্থার স্বপ্ন দেখেছিলাম।
পরিশেষে তিনি বলেন, আমার রাজনীতিটা মূলত নাগরিক মৌলিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ছাত্র, শ্রমজীবী এবং প্রান্তিক মানুষের পাশে থাকা, অধিকার বঞ্চিত নাগরিকদের একত্রিত করে বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলা এবং নির্বাচনটা আমার সেই লড়াইয়ের অংশ।
এই বিভাগের আরো খবর
-
সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী, প্রতিনিধি পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের চরলতা এলাকায় সরকারি খাসজমি ও খাস খাল দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও...
অনলাইন ভোট
-
-
মায়ের জানাজার সময় গাজীপুরের বিএনপি নেতা আলী আজমকে হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখার ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে বলেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আপনি কি মনে করেন?
-
-
খেলাপি ঋণ কমাতে ব্যাংকঋণ পরিশোধে বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও ছাড় দিয়েছে। এতে প্রকৃত খেলাপি ঋণ কমবে বলে আপনি কি মনে করেন?
খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?
এখনই সাবস্ক্রাইব করুন প্রিয় বিষয়ের নিউজলেটার!