শিরোনামঃ

গোপালগঞ্জে ছাত্রকে পেটানোর অভিযোগ মাদ্রাসা শিক্ষক আটক


নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে ক্যালকুলেটর চুরির ঘটনায় মাদ্রাসাছাত্র আহম্মদ মোল্লাকে (৭) বেধড়ক পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে।


এ ঘটনায় ওই মাদ্রাসা শিক্ষক এনামুল মোল্লাকে আটক করেছে পুলিশ।


আহত ওই শিক্ষার্থী আহম্মদ মোল্লা মুকসুদপুর উপজেলার ঢালিকান্দী গ্রামের শাওন মোল্লার ছেলে এবং কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার কায়দা বিভাগের ছাত্র।


আর অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল মোল্লা একই উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের কদমপুর গ্রামের মোক্তার মোল্যার ছেলে। সে কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক।


শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাতে কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে।


জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) কদমপুর হাফেজিয়া মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর চুরি হয়। এতে ওই মাদ্রাসার শিক্ষার্থী আহম্মদ মোল্লার বিরুদ্ধে ক্যালকুলেটর চুরির অভিযোগ আনা হয়। এরপর চুরির অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষক এনামুল মোল্লা বেধড়ক পিটিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে আহত করে। পরে পরিবারের লোকজন আহম্মদ মোল্লাকে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।


আহত আহম্মদের বাবা শাওন মোল্যা বলেন, মাদ্রাসার একটি ক্যালকুলেটর চুরির ঘটনায় আমার ছেলেকে নির্দয়ভাবে বেধড়ক  পিটানো হয়েছে। প্রায় ১ বছর যাবত এ মাদ্রাসায় আমার ছেলে  পড়াশোনা করছে, এমন অভিযোগ কখনো দিতে পারেনি। অথচ মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমার ছেলেকে পেটানো হয়েছে। আমি  পাষন্ড শিক্ষক এনামুলের শাস্তি চাই।


অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক এনামুলের বক্তব্য পাওয়া না গেলেও তার ভাই আমিনুল হক বলেন, আহম্মদকে মারধর করা হয়নি। এমনিতেই পড়ে গিয়ে ব্যাথা পেয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।


মুকসুদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমরা শিক্ষককে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আমাদের হেফাজতে রেখেছি। শিক্ষার্থীর পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দিলে পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। #

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?