গলাচিপায় যৌতুক মামলার আলোচিত আসামী ঢাকা থেকে গ্রেফতার




সঞ্জিব দাস, গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি।


পটুয়াখালীর গলাচিপায় যৌতুক নিরোধ আইনে আলোচিত আসামী হাসান সিকদারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রেফতারকৃত হাসান সিকদার হ”েছন গলাচিপা সদর ইউনিয়নের মজিবর সিকদারের ছেলে। হাসান সিকদার এর বিরুদ্ধে তার স্ত্রী শাবনুর আক্তার গলাচিপা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যৌতুক নিরোধ আইন ৩ এর ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে হাসান সিকদারকে গ্রেফতারি পরোয়ানা দেন। হাসান সিকদার গ্রেফতারি খবর পেয়ে ঢাকা গাজীপুরে আত্মগোপনে চলে যান এবং সেখান থেকে মোবাইল ফোনে স্ত্রী শাবনুর আক্তারকে প্রাণে মারার হুমকি দেন। পরে গলাচিপা থানা পুলিশ ঘটনা¯’ল যাচাই-বাছাই করে হাসান সিকদারকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেন। সোমবার হাসান সিকদারকে পটুয়াখালী জেল হাজতে প্রেরণ করেন। যার মামলা নম্বর- সি আর- ০২, তারিখ- ২০২৫ সাল। শাবনুর আক্তার জানায় আমার স্বামী হাসান সিকদার তার বাবা মজিবর সিকদার ও তার ননদের জামাই মহি উদ্দিন মুন্সি আমার শ^শুরের বাড়িতে ঘর জামাই থেকে তাদের পরামর্শে আমার স্বামী আমাকে মারধর করে ও আমার বাবা হারুন গাজীর কাছ থেকে বিবাহের পর থেকে প্রায় ৫-৬ লক্ষ টাকা নিয়ে আমার স্বামীকে দিয়েছি। এখন আমার বাবা টাকা দিতে অস্ব”ছল। তারপরও আমার বাবার কাছে যৌতুকের জন্য প্রায় ২ লক্ষ টাকা চায়। আমি না এনে দিলেই আমাকে মারধর করে আমার স্বামী, শ^শুর ও ননদের জামাই। তিনি আরও বলেন, আমার স্বামী একজন নেশাখোর এবং নেশা বিক্রেতা যা আমার শ^শুর গাজা বিক্রির সময় পুলিশের হাতে ধরা পরেছে যা গলাচিপা থানায় মামলা চলমান রয়েছে। আমার স্বামীর নাই কোন ভোটার আইডি কার্ড। আমার স্বামীর ঔরসে আমার একটি ৬ বছরের পুত্র সন্তান রয়েছে নাম হলো আব্দুল্লাহ। আমি আদালতের কাছে ন্যায় বিচার চাই। এবিষয়ে পটুয়াখালী আইনজীবি সমিতি সদস্য ও গলাচিপার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (পি-পি) এ্যাডভোকেট মামুন মিয়া বলেন হাসান সিকদারের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে তার কোন ভোটার আইডি কার্ড এখনও পর্যন্ত পাওয়া যাইনি। সে দেশের প্রচলিত আইন-কানুন কিছুই মানেনা। গায়ের জোরে চলে। ফ্যাসিস্ট সরকারের এজেন্ডা। তার বাংলাদেশে একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। সে কিশোর গ্যাংয়ের সাথে জড়িত। আমি মনেকরি বিজ্ঞ আদালতের বিচারক মহোদয় তার জামিন শুনানি না করে তার বিষয়টি বিবেচনায় নিলে সুশীল সমাজ খুশি হবেন। এবিষয়ে গলাচিপা থানার এস.আই মাহাবুব মিয়া বলেন, হাসান সিকদারকে ঢাকা গাজীপুরের সদর থানা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সে আসলেই একজন ক্রিমিনাল এবং ফ্যাসিস্ট সরকারের একজন এজেন্ডা। এবিষয়ে শাবনুর আক্তারের বাবা হারুন গাজী বলেন, হাসান সিকদার আমার মেয়েকে যৌতুকের জন্য প্রায়ই মারধর করে। আমার মেয়ের গলাচিপা হাসপাতালে একাধিকবার ভর্তি করিয়েছি। কিš‘ ও ভালো না। আমি আইনের মাধ্যমে তার সঠিক বিচার চাই।

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?