শিরোনামঃ

চরফ্যাশন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে নকল ও ঘাড় ঘুরাতে না দেয়ায় ভাংচুর, হামলা


 ভোলা প্রতিনিধি॥ ভোলার চরফ্যাশন এইচ এসসি পরীক্ষা ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে চরফ্যাশন সরকারি কলেজ পরিক্ষার্থীরা ঘাড় ঘুড়িয়ে নকল করতে না পরায় মহিলা কলেজ ভাংচুর এবং হামলা অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি পরীক্ষার্থীদের হাতে থাকা লাঠি,ইটপাটকেলে আঘাতে শিক্ষক-কর্মচারী, কলেজ গভানিং বডির সভাপতি হুমায়ূন করিব সিকদারসহ অন্তত ১০/১২ পথোচারী আহত হয়েছে।

শনিবার দুপুর সোয়া ১টা চরফ্যাশনের প্রাণকেন্দ্র অবস্থিত ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ গেইট ভেঙ্গে বিতরে প্রবেশ করে এই হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটায় পরীক্ষার্থীরা।

মহিলা কলেজ ভাংচুরের ঘটনা উপজেলা ব্যাপী তোলপড়া শুরু হলে তাৎক্ষণিক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) রুমানা আফরোজ ও থানা পুলিশ টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপে ছাত্রদেরকে ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে, এমন অভিযোগ করে চরফ্যাশন মহিলা মহাবিদ্যালয় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব মহিউদ্দিন বাচ্চু আরো বলেন, শিক্ষামন্ত্রী নির্দেশনা এবংনির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ইউএনও কঠোর নির্দেশনায় বাস্তবায়নে নকল মুক্ত পরিক্ষা নিতে গিয়ে আইসিটি পরীক্ষা শেষে পরিক্ষার্থীরার রুম থেকে বের হয়ে বাহিরে গিয়ে দলবদ্ধ হয়ে  আমাদের এবং কলেজের উপর হামলা ভাংচুর করে। এসময় কলেজের শিক্ষক- শিক্ষিকা ও কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে পুলিশ,রাজনৈতিক নের্তৃবৃন্দ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। 

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আফরোজ তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থলে এসে সাংবাদিকদেরকে প্রশ্নের জব্বাবে বলেন, পরীক্ষা প্রশ্ন কঠিন হয়েছে,ভাল পরীক্ষা দিতে না পরায়, এবং কক্ষে শিক্ষকদের সহযোগিতা না পেয়ে পরিক্ষারা ক্ষুদ্ধ হয়ে কলেজ ভাংচুর করা ঠিক হয়নি।

অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এটা ন্যাকারজনক। আমি ঘটনাস্থলে আসার আগে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দিয়েছে এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। পরে ঘটনাস্থলে একদল কোস্টগার্ড তা পর্যবেক্ষণ করেন।

এদিকে চরফ্যাশন সরকারি কলেজ এইচ এসসি পরীক্ষার্থীদের দাবী তাদেরকে পরীক্ষা কক্ষে ঘাড় ঘুরাতে দেয়নি।

চরফ্যাশন সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ এব্যাপারে কথা বলতে রাজি নয়, সাংবাদিককের এক প্রশ্নের জব্বাবে তাড়াহুড়া করে হেটে হেটে বলেন,মহিলা কলেজ ভাংচুরের ঘটনার কথা শুনে এসেছি।

শেষে প্রশসনের প্রটোকলে উত্তরপত্র নিতেও দেখা গেছে।

ভোলা জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান বলেন, নকল মুক্ত পরীক্ষা হবে এটা আমাদের পূর্ব থকে কঠোর নির্দেশ রয়েছে। সেই সূত্রেপাতে শিক্ষক মন্ডুলীরা পরীক্ষা কক্ষে নকল মুক্ত পরীক্ষা নিতে গিয়ে চরফ্যাশনের ফাতেমা মতিন মহিলা কলেজ কেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুর করছে পরীক্ষর্থীরা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, কেন্দ্র সচিব ও সংশ্লিষ্ঠদের সাথে বৈঠক করে কেন্দ্রের সিসি টিভির ফুটেজ দেখে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?