বরিশালে ঐতিহাসিক  ৭ মার্চ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের  দোয়া ও ইফতার কর্মসূচি পালণ



রাহাদ সুমন,বিশেষ প্রতিনিধি:

ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে প্রথমবারের মতো বরিশালে প্রকাশ্যে কার্যক্রম চালিয়েছে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার (৭ মার্চ) নগরীর বধ্যভূমি এলাকায় বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব খানের উদ‍্যোগে দোয়া-মোনাজাত ও ইফতার কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় সংগঠনটির নেতাকর্মীদের।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, 

বিকেলের দিকে কয়েকজন নেতাকর্মী সেখানে জড়ো হয়ে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ স্মরণে দোয়া ও মোনাজাত করেন। পরে তারা ইফতার আয়োজনেও অংশ নেন। এ সময় কিছু নেতাকর্মী বধ্যভূমিতে অবস্থান করে বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও ধারণ করেন।


এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বধ্যভূমি এলাকা থেকে সরিয়ে ফেলা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালের স্থানে পুনরায় একটি ছবি স্থাপন করছেন ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী।


ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে নগরজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।


স্থানীয়দের একটি অংশ বলছেন, দীর্ঘদিন পর প্রকাশ্যে এমন কর্মসূচি পালন করায় বিষয়টি নিয়ে মানুষের মধ্যে নানা ধরনের প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। কেউ এটিকে রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ এটিকে বিতর্কিত উদ্যোগ বলে মন্তব্য করছেন।


এর আগে কয়েক দফা গোপনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নগরীর বিভিন্ন স্থানে ব্যানার-ফেস্টুন টানানোর চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকি পুড়ে যাওয়া আওয়ামী লীগের কার্যালয়েও রাতের আঁধারে ব্যানার লাগানোর ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা যায়।


তবে পাঁচ আগস্টের পর এই প্রথম বরিশালে প্রকাশ্যে কোনো কর্মসূচিতে অংশ নিতে দেখা গেল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের।


এ ঘটনায় নগরজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। অনেকেই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মতামত প্রকাশ করছেন। তবে বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি আল মামুন ইসলাম।



এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?