শিরোনামঃ

বোরহানউদ্দিনে বহিষ্কৃত যুবদল নেতার বিরুদ্ধে জমি দখল, চাঁদা দাবি ও ঘর ভাঙচুরের অভিযোগ


ভোলা প্রতিনিধি:


ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় বহিষ্কৃত পৌর যুবদলের সদস্য আরমানের বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টা, চাঁদা দাবি, ঘর ভাঙচুর এবং দীর্ঘদিন ধরে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। তবে তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত আরমান।


অভিযোগকারীদের দাবি, আরমান তার ছোট বোন শাহনাজের মালিকানাধীন জমি দখলের চেষ্টা করে আসছেন। এছাড়া প্রায় ছয় বছর আগে বিক্রি করা একটি জমি পুনরায় নিজের দাবি করে বড়মানিকা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সৌদি প্রবাসী বাহার মাল ও আব্বাস মালের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদার টাকা না পেয়ে ওই জমিতে নির্মিত একটি ঘর ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়।


অভিযোগে আরও বলা হয়, বিভিন্ন অভিযোগে আরমানকে যুবদল থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হলেও তার কর্মকাণ্ডে কোনো পরিবর্তন আসেনি। রাতের অন্ধকারে শাহনাজের বাড়ির জানালা দিয়ে মাছের বর্জ্য, কাদামাটি ও বিভিন্ন ময়লা-আবর্জনা নিক্ষেপ করে তাকে মানসিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে। এতে ঘরের মূল্যবান জিনিসপত্র নষ্ট হয়েছে বলে দাবি করেন।


এছাড়া আরমানের ছেলে অরণ্য তার ফুফুর সঙ্গে দুর্ব্যবহার, মারধর এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। তারা বিষয়টির শান্তিপূর্ণ ও স্থায়ী সমাধান চান।


তবে অভিযুক্ত আরমান বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমি জমি দখল, চাঁদা দাবি, ভাঙচুর বা হয়রানির কোনো ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। 


এ বিষয়ে বোরহানউদ্দিন পৌর যুবদলের সদস্য সচিব আবু জাফর মূর্ধা বলেন, “আরমান যুবদলের সদস্য ছিলেন। তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে দল তাকে বহিষ্কার করতে বাধ্য হয়েছে। যুবদলে কোনো বিশৃঙ্খলাকারীর স্থান নেই।


বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, থানায় অভিযোগ হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



এদিকে অভিযোগকারীরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং বিরোধের দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?