শিরোনামঃ

আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে মেঘনায় বালু উত্তোলন।    প্রশাসন নিরব


 


হিজলা প্রতিনিধি।। বরিশালের হিজলা উপজেলার সাওরা সৈয়দখালী এলাকা সংলগ্ন মেঘনা নদী থেকে আদালতের রায়কে উপেক্ষা করে প্রায় দুই শত ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছে । এতে প্রশাসনের ভূমিকা রহস্যজনক, হতাশ নদীর কিনারার মানুষ। 


হুমকির মুখে হিজলা - মেহেন্দিগঞ্জের তিনটি ইউনিয়নসহ চলমান ৬ শতকোটি টাকা বরাদ্দের নদী ভাঙ্গন রোধ প্রকল্প।


চলতি বছর ১২ নভেম্বর সাওরা সৈয়দখালী মৌজার বালু মহল ইজারা স্থগিত করে বালু বালুকাটা বন্ধের নির্দেশ দিয়ে একটি রুল জারি করেছে আদালত।সে আদেশের কপি জেলা উপজেলা সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরে প্রেরণ করে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে নিয়মিতই ভালো উত্তোলন করছেন ইজারাদার।


উপায়ান্তু না পেয়ে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত হাজার হাজার নারী পুরুষসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ মানববন্ধন করে। এরপর ১১ মে কোষ্টগার্ডের নেতৃত্বে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ইজারাদার আবুল বাসেত সহ ৬ জনকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। এছাড়াও জব্দ করা হয় ৫৩ টি ড্রেজার ৩৬ টি বাল্কহেডসহ নগদ ১ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা। এতকিছুর 


এর পরেও বসে নেই এই চক্রটি। দীর্ঘ সাত মাস যাবত নিয়মিত বালুর উত্তোলন করার ফলে হুমকির মুখে হিজলা উপজেলার হিজলা গৌরবদি, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর ও উলানিয়া ইউনিয়ন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে দেয়া ইজারায় উল্লেখ ছিল একশত একর জমিন কিন্তু বর্তমানে প্রায় দুইতাধিক ড্রেজার দিয়ে তারা দুই থেকে তিন হাজার একর জমি থেকে বালু উত্তোলন করতেছেন।আরবি এন্টারপ্রাইজ এর সত্বধিকারী যুবলীগ নেতা ইজারাদার আবুল বাসেত এর নিকট স্থগিত এর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন নিষেধাজ্ঞার আদেশটি ব্যাকেট হয়েছে।বরিশালের বিখ্যাত জমিদার বাড়ির লেখক কলামিস্ট আব্দুল গাফফার চৌধুরীর নাতি মোঃ আকবর চৌধুরী জানান এরই মধ্যে তাদের ইউনিয়ন সহ কয়েকটি ইউনিয়ন বালু উত্তোলনের ফলে হুমকির মুখে। বালু উত্তোলনকারী চক্রটি আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে বালু উত্তোলন করছে আর প্রশাসন নীরব এটি দুঃখজনক।হিজলা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভ্র জ্যোতি পোদ্দার জানান, আদালতে নির্দেশনা সাথে সাথেই বালু উত্তোলন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?