- প্রকাশিত: ১৩ আগস্ট ২০২৫ ০৬:৪৩ পিএম
যবিপ্রবির প্রথম ভিত্তিপ্রস্তর ও প্রধানফটক সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান
যবিপ্রবি প্রতিনিধি:
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কর্তৃক যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) স্থাপিত প্রথম ভিত্তিপ্রস্তর সংস্কার ও প্রধান ফটকে মর্যাদাপূর্ণ স্থানে স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা তারা চার দফা দাবিতে উপচার্য বরাবর স্মারকলিপি ও প্রদান করেন। তবে প্রথম ভিত্তিপ্রস্তর সংস্কার ও প্রধানফটকে স্থাপনের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম রিজেন্ট বোর্ডে ইতোমধ্যে পাশ হয়েছে বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ।
বুধবার (১৩ ই আগস্ট) দুপুর দুইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে এ মানববন্ধন করেন শিক্ষার্থীরা। পরে মানববন্ধন শেষে যবিপ্রবি'র উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ বরাবর চার দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করে।
মানববন্ধন ও স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া কর্তৃক যবিপ্রবি'র প্রথম স্থাপিত ভিত্তি প্রস্তরটি সঠিকভাবে মেরামত ও দীর্ঘমেয়াদি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে, প্রধান ফটকে মর্যাদাপূর্ণ স্থানে স্থাপন করতে হবে। ভিত্তিপ্রস্তর ভাঙ্গার সাথে জড়িতদের সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস সঠিকভাবে শিক্ষার্থীদের মাঝে তুলে ধরতে হবে।
শিক্ষার্থীরা আরো বলেন, আমাদের দাবিগুলো প্রশাসন ইতোমধ্যে রিজেন্ট বোর্ডে পাশ করানোর কথা বলেছেন। এজন্য প্রশাসনকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই। আশা করি দ্রুত সময়ের মধ্যে আমাদের দাবিগুলো বাস্তবে রুপ নিবে।
প্রথম ভিত্তি প্রস্তর ও প্রধান ফটকের ইতিহাসের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে যবিপ্রবির জেনেটিক ইন্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আব্দুস সামাদ রানা বলেন, যবিপ্রবির রূপকার ছিলেন বৃহত্তর যশোর জেলার উন্নয়নের কারিগর, সাবেক মন্ত্রী মরহুম তরিকুল ইসলাম চাচা। তারই প্রেক্ষিতে ২০০৬ সালের ৫ই অক্টোবর তৎকালিন প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যবিপ্রবির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং সেসময় ভিত্তিপ্রস্তরের সামনে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের স্থান নির্ধারণ হয় বলে জানতে পারি। কিন্তু সরকার পরিবর্তন হলে তৎকালিন ভিসি প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তার স্যার প্রধান ফটকের স্থান পরিবর্তন করে এবং পরবর্তীতে তৎকালীন প্রশাসনের ইন্দনে কিছু কর্মচারীসহ ছাত্রলীগের কতিপয় নেতা-কর্মী ভিত্তিপ্রস্তরটি ভাংচুর করে ইতিহাস মুছে দেয়ার অপচেষ্টা করে। আমরা এসবের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে আন্দোলন করতে গেলে একাডেমিক রেজাল্ট ও বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে চুপ করিয়ে দেয় প্রশাসন। সর্বোপরি ভিত্তিপ্রস্তরটি অতি দ্রুত মেরামত করে প্রধান ফটকের সামনে স্থানান্তরের জোর দাবি জানাই। এছাড়া নবীন শিক্ষার্থীরা যেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারে তার ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।
এই বিভাগের আরো খবর
-
শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সার্বজনীন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি)...
-
রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর। শারদীয় দুর্গোৎসবে বিভাগীয় নগরী রংপুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রংপুরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার...
-
যবিপ্রবি প্রতিনিধিবিশ্বের ৩৭টি দেশের কয়েকশত দলকে পেছনে ফেলে জাতিসংঘের গ্লোবাল এআই হ্যাকাথনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের দল ‘zAI BD’। প্রতিযোগিতার লক্ষ্য...
-
নিজস্ব প্রদিবেদক, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ৫ পুলিশ সদস্যসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে।আজ...
অনলাইন ভোট
-
-
মায়ের জানাজার সময় গাজীপুরের বিএনপি নেতা আলী আজমকে হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখার ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে বলেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আপনি কি মনে করেন?
-
-
খেলাপি ঋণ কমাতে ব্যাংকঋণ পরিশোধে বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও ছাড় দিয়েছে। এতে প্রকৃত খেলাপি ঋণ কমবে বলে আপনি কি মনে করেন?
খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?
এখনই সাবস্ক্রাইব করুন প্রিয় বিষয়ের নিউজলেটার!