শিরোনামঃ

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের আন্দোলনে টুঙ্গিপাড়া দুই বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষা স্থগিত


নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জ : চার দফা দাবিতে বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির ডাকা কর্মবিরতির কারনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার বঙ্গবন্ধু স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং জিটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এসএসসি টেষ্ট পরীক্ষার বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়নি।


ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ওই দুই স্কুলের ৬ শতাধিক শিক্ষার্থী। আগামীকাল মঙ্গলবার বাংলা ২য় পত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে কিনা তা নিয়েও সংশয়ে রয়েছে পরীক্ষার্থীরা।


জানাগেছে, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রায় ৪০০ জন শিক্ষার্থী এবং জিটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী এই পরিস্থিতির প্রভাবে পরীক্ষা দিতে পারেননি। দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন হলে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।


পরীক্ষার্থী মেহজাবিন আক্তার নিঝুম (১০ম শ্রেণী) বলেন, আজ আমাদের বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। আমরা সবাই খুব চিন্তিত। আগামীকাল পরীক্ষা হবে কিনা তা জানি না।


অভিভাবক মিতা খানম বলেন, শিক্ষার্থীরা যথাযথ সময়ে পরীক্ষা দেওয়ার অধিকার হারাচ্ছে। আশাকরি শিক্ষকদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন হলে শিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক হবে।


সহকারী শিক্ষক শরীফ মোরেজ আলী বলেন, শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত পদসোপান বাস্তবায়ন করা না হলে ভবিষ্যতে শিক্ষার মান ও বিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ প্রভাবিত হতে পারে। আমরা চাই, শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের যোগ্যতা প্রমাণ করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হোক।


বঙ্গবন্ধু স্মৃতি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিলকিস খানম জানান, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের অধিকার ও বঞ্চনার প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বাস্তবায়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ঘোষিত চার দফা দাবির যৌথ কর্মসূচির কারণে আজ বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছে। আমরা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণের অস্বস্তির জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি। আশা করি সরকার আমাদের দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করবে।


মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, বার্ষিক পরীক্ষা চলমান রয়েছে। দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ে ২০ নভেম্বর থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষা, ২৭ নভেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্বাচনী পরীক্ষা, এবং ২৮–৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা যথাযথ সময়সূচিতে নেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। পরীক্ষার সময় কোনো ধরনের শৈথিল্য বা অনিয়ম ধরা পড়লে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। #

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?