শিরোনামঃ

শেবাচিমে সেবা বঞ্চিত রোগী ও স্বজনদের বিক্ষোভ, হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে মেডিকেল ইন্টার্নদের মানববন্ধন



শাকিব উল হক

বরিশাল প্রতিনিধি


বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (শেবাচিম) বহির্বিভাগে সোমবার সকাল থেকে কোনো চিকিৎসক উপস্থিত না থাকার কারণে দূরদূরান্ত থেকে আসা রোগী ও স্বজনরা তীব্র ভোগান্তিতে পড়েছেন। ভোর ৮টা থেকে তারা হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন। 

সেবা নিতে আসা রোগীরা অভিযোগ করেছেন, ভোর থেকে তারা লাইনে দাঁড়িয়েছেন, টিকিট কেটেছেন, কিন্তু চিকিৎসক অনুপস্থিত থাকার কারণে সেবা পাননি।


এদিকে একই দিনে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরাও ক্লাস বর্জন করে মেডিকেল এর সামনে মানববন্ধন ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ আয়োজন করেছেন। 

তারা দাবি করেছেন, স্বাস্থ্য সংস্কার আন্দোলনের নামে শিক্ষার্থী, চিকিৎসক ও স্টাফদের উপর হামলা বন্ধ করতে হবে। মেডিকেল এর শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, মহিউদ্দিন রনি, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কাফি সহ অন্যান্য উস্কানিদাতাদের গ্রেফতার না হলে মেডিকেল এর ইন্টার্নদের এই আন্দোলন চলবে। মানববন্ধনে মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। 

মিড লেভেল ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. শাখাওয়াত হোসেন সৈকত বলেন, হাসপাতালের সেবা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, চিকিৎসক ও স্টাফরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হামলাকারীদের গ্রেফতার দাবি করেছেন, অন্যথায় জরুরি সেবাসহ সকল সেবা বন্ধের হুমকি দিয়েছেন।


উল্লেখ্য যে,চিকিৎসক ও স্টাফরা তাদের নিজেদের নিরাপত্তাহীনতার কারন দেখিয়ে গত রোববার বিকেল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ঘোষণা করেছেন। হাসপাতালের ইন্টার্ন ও মিড লেভেল চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গত ১৭ আগস্ট স্বাস্থ্য সংস্কার আন্দোলনের নামে মহিউদ্দিন রনি ও অন্যান্য দুষ্কৃতকারীরা হামলা চালিয়েছে। মেডিসিন ইউনিটের চিকিৎসক ডা. দিলীপ রায়ও এতে আক্রান্ত হয়েছেন।


হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর বলেন, রোগীদের সেবা ক্ষতিগ্রস্ত না হওয়ার জন্য পুলিশের সহযোগিতায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং সকলকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?