- আহাদ তালুকদার।
- প্রকাশিত: ২২ জুন ২০২৬ ১২:৩৯ এএম
মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সম্মিলিত উদ্যোগ জরুরি
মাদক বর্তমানে আমাদের সমাজের অন্যতম ভয়াবহ ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। এর ভয়াল থাবা শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত হচ্ছে, যা জাতির ভবিষ্যতের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার চেংগুটিয়া গ্রামও এই সামাজিক সমস্যার প্রভাব থেকে মুক্ত নয়।
মাদকের কারণে যুবসমাজের একটি অংশ ধীরে ধীরে বিপথগামী হয়ে পড়ছে। যারা একসময় দেশ ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার স্বপ্ন দেখত, তাদের কেউ কেউ আজ মাদকের অন্ধকার জগতে হারিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে পারিবারিক অশান্তি, সামাজিক অবক্ষয়, অপরাধ প্রবণতা এবং নৈতিক মূল্যবোধের অবনতি ঘটছে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো মাদকাসক্তি একজন ব্যক্তিকে শুধু শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে না, বরং একটি পরিবারকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকটের মুখে ঠেলে দেয়।
মাদক প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধুমাত্র প্রশাসনিক পদক্ষেপ দিয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত ভূমিকা প্রয়োজন। অভিভাবকদের উচিত সন্তানদের চলাফেরা ও বন্ধু বান্ধব সম্পর্কে খোঁজখবর রাখা এবং তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা। একই সঙ্গে তরুণদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজে সম্পৃক্ত করতে হবে।
মাদকমুক্ত সমাজ গঠন কোনো একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয় এটি সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। চেংগুটিয়াসহ দেশের প্রতিটি গ্রাম ও মহল্লায় সচেতনতা বৃদ্ধি, সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং মাদকের বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টি করা সময়ের দাবি। আমাদের আজকের সচেতন পদক্ষেপই আগামী প্রজন্মকে একটি সুস্থ, নিরাপদ ও সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ উপহার দিতে পারে।
এই বিভাগের আরো খবর
-
যবিপ্রবি প্রতিনিধিআন্তর্জাতিক গবেষণা ডাটাবেজ ‘স্কোপাস’ (Scopus)-এর ইনডেক্সড গবেষণা প্রকাশনার সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর মধ্যে শীর্ষে...
-
যবিপ্রবি প্রতিনিধিঃবাংলাদেশ রসায়ন সমিতির উদ্যোগে এবং যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) রসায়ন বিভাগের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘১৬তম...
অনলাইন ভোট
-
-
মায়ের জানাজার সময় গাজীপুরের বিএনপি নেতা আলী আজমকে হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখার ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে বলেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আপনি কি মনে করেন?
-
-
খেলাপি ঋণ কমাতে ব্যাংকঋণ পরিশোধে বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও ছাড় দিয়েছে। এতে প্রকৃত খেলাপি ঋণ কমবে বলে আপনি কি মনে করেন?
খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?
এখনই সাবস্ক্রাইব করুন প্রিয় বিষয়ের নিউজলেটার!