শিরোনামঃ

যবিপ্রবিতে ১৬তম বাংলাদেশ কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত


যবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ


বাংলাদেশ রসায়ন সমিতির উদ্যোগে এবং যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) রসায়ন বিভাগের আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘১৬তম বাংলাদেশ কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াড-২০২৭’।


শনিবার (৩১ অক্টোবর ২০২৬) সকালে জাতীয় সংগীতের সুরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। পরে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের শপথবাক্য পাঠের মাধ্যমে অলিম্পিয়াডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এরপর ক্যাম্পাসে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে।


র‍্যালি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরীফ হোসেন গ্যালারিতে বিভিন্ন কলেজের শিক্ষার্থীরা রসায়নবিষয়ক প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। প্রতিযোগিতা শেষে সেরা ১০ শিক্ষার্থীর হাতে সম্মাননা স্মারক ও সনদ তুলে দেওয়া হয়। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারী সব শিক্ষার্থীকে সনদ প্রদান করা হয়।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ফারুক হাসান।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবির বলেন, “ডিজিটাল আসক্তি এখন মারাত্মক ব্যাধি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই মোবাইলের এই নেশা ছেড়ে তোমাদের পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে। সব সময় বড় স্বপ্ন দেখবে। আত্মবিশ্বাস ও পরিশ্রম থাকলে তোমাদের মধ্য থেকেই একদিন নোবেল বিজয়ী হওয়া সম্ভব।”


তিনি আরও বলেন, “অলিম্পিয়াডের মতো প্রতিযোগিতায় জয়-পরাজয় বড় কথা নয়, জানার আগ্রহ নিয়ে অংশগ্রহণ করাটাই আসল। রসায়নকে ভালোবেসে আনন্দের সঙ্গে পড়াশোনা করে ভবিষ্যতে নিজেদের দক্ষ রসায়নবিদ ও দেশের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলো।”


বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ফারুক হাসান বলেন, “কেমিস্ট্রি অলিম্পিয়াডের মতো আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হলো পাঠ্যবইয়ের জটিল বিষয়গুলো শিক্ষার্থীদের সামনে সহজ ও আনন্দদায়কভাবে তুলে ধরা। আমি আশা করি, তোমাদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস, অমর্ত্য সেন কিংবা আবদুস সালামের মতো বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব ও নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী তৈরি হবে।”


তিনি আরও বলেন, “একজন অভিভাবক ও শিক্ষক হিসেবে আমি মনে করি, সন্তান ও শিক্ষার্থীরা যখন নিজ নিজ যোগ্যতায় আমাদের ছাড়িয়ে অনেক বড় অবস্থানে পৌঁছায়, সেখানেই একজন শিক্ষক ও মা-বাবার সবচেয়ে বড় আনন্দ ও গর্ব নিহিত থাকে। আশা করি, তোমরা একদিন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করে দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে।”


এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হাফিজ উদ্দিন, রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. কে. এম. আনিস-উল-হকসহ বিভাগের শিক্ষকমণ্ডলী, বিভিন্ন কলেজের শিক্ষক ও অভিভাবকবৃন্দ।

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?