গোপালগঞ্জে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ০৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস



নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে জেঁকে বসেছে শীত। উত্তরের হিমেল বাতাস আর ঘন কুয়াশার কারণে শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। এতে বিপয্যস্ত হয়েছে পড়েছে জেলার জনজীবন। জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ০৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


জেলা শহর ঘুরে দেখাগেছে, ভোর থেকে কুয়াশায় আচ্ছান্ন হয়ে পড়ে পুরো জেলা। সুয্যের মুখ দেখা না যাওয়ায় জেলা জুড়ে জেকে বসেছে শীত। চরম ভোগান্তিতে পড়েছে খেটে খাওয়া ও ছিন্নমুল মানুষেরা। প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া বাইরে বের হচ্ছে না কেউ।


তীব্র ঠান্ডায় জমিতে যেতে পারছেন না কৃষক। ফলে ভরা বোরো মৌসুমে বোরো আবাদ নিয়ে শংকায় পড়েছেন তারা। কোথাও কোথাও বীজতলা নষ্ট হবার কথা জানিয়েছেন কৃষকরা।


জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হলেও তার প্রয়োজনের তুলনায় স্বল্প। ফলে তীব্র শীতে কষ্ট পাচ্ছে ছিন্নমুল মানুষেরা। জেলাজুড়ে শীত জেঁকে বসায় গরম কাপড়ের দোকানে ভীড় লক্ষ্য করা গেছে।


এদিকে, তীব্র শীতে জেলায় দেখা দিয়েছে শীতজনিত রোগ। ঠান্ডা, জ্বর, কাশিসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বৃদ্ধরা। ফলে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে ছুটছেন তারা।


গোপালগঞ্জের আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু সুফিয়ান জানান, আজ সোমবার সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ০৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আর্দ্রতা ছিল ৯৫ ভাগ। কুয়াশায় দিনের মধ্যভাগ পর্যন্ত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হালকা হিমেল হাওয়ার কারণে শীতের অনুভুতি তীব্র হতে পারে বলেও জানিয়েছেন।


গোপালগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরে অতিরিক্ত উপপরিচালক সরজয় কুমার কুন্ডু বলেন, কোথাও কোথাও বীজতলা নষ্টের খবর পাওয়া গেছে। সেই সাথে ঠান্ডায় কৃষকরা জমিতে নামতে না পারায় কৃষি ব্যহত হচ্ছে। আবহাওয়ার উন্নতি হলে এ সমস্যা কেটে যাবে।


গোপালগঞ্জ ২৫০-শয্যাবিশিস্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: জীবীতেশ বিশ্বাস বলেন, ঠান্ডা পড়ায় জেলায় শতীজনিত রোগের দেখা দিয়েছে। শিশু ও বৃদ্ধদের সব সময় গরম কাপড় পড়িয়ে রাখার পাশাপশি গোসলে মৃদু গরম পানি ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। #

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?