শিরোনামঃ

গোপালগঞ্জে মরা গরুর মাংস বিক্রি করতে গিয়ে যা ঘটলো


নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় অসুস্থ ও মরণাপন্ন গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে মাংস বিক্রেতা আলী আকবর গাজীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। এ সময়  ৪০০ কেজি  গরুর মাংস মাটি চাপা দিয়ে ধ্বংস করা হয়।


বুধবার (৪ মার্চ) রাতে কোটালীপাড়া উপজেলা সদরের পৌর মার্কেটে অভিযান চালিয়ে এ সাজা প্রদান করেন আদালতের বিচারক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও  নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ।


কোটালীপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মিরাজ হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বুধবার একটি গরু কীটনাশক মিশ্রিত মাঠের ঘাস ও লতাপাতা খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। মরণাপন্ন ওই গরু জবাই করে মাংস ব্যবসায়ী আলী আকবর গাজী তার ফ্রিজে মজুদ করে রাখেন। এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কাছে স্থানীয়রা অভিযোগ করলে ভ্রাম্যমাণ আদলত পরিচালনা করেন।

তিনি আরো বলেন, ফ্রিজে গরুর মাংস, চামড়া, ভুড়ি ও পা একসঙ্গে সংরক্ষণ করেছেন। যা এটি স্বাস্থ্যসম্মত নয়। তাই এসব অপরাধে মাংস বিক্রেতাকে ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া ৪০০ কেজি গরুর মাংস মাটি চাপা দিয়ে পুতে ফেলার নির্দেশন দেন। রাতে ওই গরুর মাংস মাটি চাপা দিয়ে পুতে ফেলা হয়। গরু জবাই করার আগে আমাদের দপ্তর থেকে সার্টিফিকেট নেওয়ার বিধান থাকলেও তিনি তা নেননি। অসুস্থ, মরণাপন্ন বা রোগাক্রান্ত গরু জবাই বন্ধে প্রয়োজনীয় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।

অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে মাংস ব্যবসায়ী আলী আকবর গাজী অসুস্থ ও মারা যাওয়ার উপক্রম গরুর মাংস বিক্রি করে লাভবান হচ্ছিলেন। পাশাপাশি মাংস ক্রেতারা প্রতারিত হয়ে আসছিলেন। প্রাণিসম্পদ বিভাগ, স্যানিটারী ইন্সপেক্টর ও পৌরসভার তদারকি কর্মকর্তার উদাসীনতার কারনে মাংস বিক্রেতারা মরা গরুর মাংস বিক্রি করার সুযোগ পাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। গরু মার্কেটে এনে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ফিটনেস সার্টিফিকেট নিয়ে পৌরসভার তদারকি কর্মকর্তার সামনে জবাই করার কথা রয়েছে। কিন্তু মাংস ব্যবসায়ীরা বাহির থেকে গরু জবাই করে ফিটনেস সার্টিফিকেট ছাড়াই মার্কেটে মাংস বিক্রি করতে নিয়ে আসেন। বিষয়টিতে উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। #

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?