বাঁধ অপসারণ করে ফসল    রক্ষা, প্রশংসায় ভাসছেন    ইউএনও



 


গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি:


 


পানি প্রবাহে বাঁধা দিয়ে বাঁধ নির্মাণ করায় বিস্তীর্ণ জমিতে পানি নিষ্কাশন ও সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছিল। ফলে কৃষকের ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়ায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিলো। বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক ভাবে বাঁধ অপাসারনের ব্যবস্থা করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও।এতে যেমন কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে তেমনি এলাকায় ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছেন ইউএনও।ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ও নলচিড়া ইউনিয়নের সংযোগস্থল মহিষখোলা বিল এলাকার।


 


সোমবার সকালে ওই এলাকার কৃষকরা জানান, কয়েকদিন পূর্বে মাহিলাড়া এলাকার কতিপয় ব্যক্তি বিলের পানি নিষ্কাশনের স্থানে অবৈধভাবে বাঁধ দেয়। এতে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে পাকা ধান তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছিলো। এবিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দেওয়ার পর রোববার বিকেলে সরেজমিন পরিদর্শন করে বাঁধ কেটে দেয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।


 


উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সেকেন্দার শেখ জানিয়েছেন, গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশনায় সহকারী কমিশনার(ভূমি), মৎস্য বিভাগের প্রতিনিধি, বিএডিসির প্রকৌশলী, থানা পুলিশ, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এলাকাবাসি ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বাঁধ অপসারণে সহযোগিতা করেন।তিনি আরও জানিয়েছেন, পানি নিষ্কাসনের স্থানে বাঁধ দেওয়ায় বিলে বৃষ্টির পানি জমে প্রায় পাঁচশ’ একর জমির বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সম্ভাবনা ছিলো। বাঁধ অপসারন করায় বিলের পানি নামতে শুরু করেছে।


 


গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. ইব্রাহীম বলেন, জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট জমিতে কেউ বাঁধা সৃষ্টি করে পানিপ্রবাহ বন্ধ করতে পারেন না। এতে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হয় এবং সাধারণ মানুষের ক্ষতি হয়। এ ধরনের কাজ বেআইনি।যিনি বাঁধ দিয়েছেন তাকে প্রাথমিক ভাবে সতর্ক করা হয়েছে। ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের কর্মকান্ডে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?