- প্রকাশিত: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১০:৪০ পিএম
বাড়ছে চুরি ও ছিনতাই রংপুর সিটির ৩৩ ওয়ার্ডে ১০ হাজার সড়কবাতি অকেজো
রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
দীর্ঘদিন ধরে রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ১০ হাজার সড়ক বাতি অকেজো। ফলে মূল শহরে আলোর ঝলকানি থাকলেও আশেপাশের পাড়া ও মহল্লা অন্ধকারে নিমজ্জিত। এতে করে বাড়ছে চুরি, ছিনতাইয়ের ঘটনা।
সরেজমিনে দেখা যায়, রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মূল শহরের চিত্র। জ্বলছে বাহারি রকমের সড়কবাতি। তবে বিপরীত চিত্র বিভিন্ন পাড়া মহল্লায়। অধিকাংশ সড়ক বাতি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অন্ধকারে নিমজ্জিত দীর্ঘ সময় ধরে। এমন অবস্থা নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডের বেশির ভাগ এলাকা অন্ধকারে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক বাতি নষ্ট থাকার সুযোগে বাড়ছে চুরি ছিনতাইয়ের মত ঘটনা। নগরীর মুলাটোল এলাকার বাসিন্দা সেলিম সরকার বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে সড়কের বাতি নষ্ট, কোন জায়গায় আবার লাইট নাই। রাস্তা দিয়ে চলাচলে ভীতিকর অবস্থায় পড়তে হচ্ছে জনসাধারণকে। অবশ্যই নিরাপত্তার ভয় আছে আবার ভাঙা রাস্তা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছি। এখন আবার নতুন করে টোকাইদের ভয়ে থাকতে হয় প্রতিনিয়ত। হাত থেকে বাজারে ব্যাগ, মোবাইল টেনে হিছড়ে নিয়ে যায়।
সিটি কর্পোরেশনে ৩৩ নং ওয়ার্ডের আরেক বাসিন্দা চপল মিয়া বলেন, প্রতিদিন লাইট বিহীন রাস্তা দিয়ে চলাফেরা করি। এতবার বলার পরেও কেউ বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছে না। তার উপর বেশ কিছু রাস্তায় খানা খন্দে ভরা। সবকিছু মিলে খুব ভয় কাজ করে। এই লাইটগুলো মেরামত করে দিলে আমাদের খুব উপকার হবে।
এদিকে সিটি কর্পোরেশন জানিয়েছে নতুন সড়ক বাতি কিনতে টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। রংপুর সিটি করপোরেশনে উপ-সহকারী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, অনেক জায়গায় লাইট সমস্যা দেখা দিয়েছে। স্টোরের মালামাল শেষ হওয়ায়, ঔই লাইটগুলো মেরামত হচ্ছে না। তবে এই বিষয়ে আমাদের দ্রুত একটা টেন্ডারে ব্যবস্থা হয়েছে। অলরেডি কার্যত আদেশ দেয়া হয়েছে। সামনের মাসের মধ্যে মালামাল পেলে বাকি অকেজো লাইট গুলো মেরামত করার সুযোগ পাব। নতুন সড়ক বাতি কিনতে টেন্ডার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
উপ-পুলিশ কমিশনার (অপরাধ), মারুফ আহমেদ বলেন, আমাদের শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে টহল টিম প্রতিনিয়ত ডিউটি করে। এর পাশাপাশি যদি শহর ব্যাপী পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা থাকে, পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা থাকে তাহলে এগুলো আমাদের সহায়ক ভূমিকা পালন করে। যদি যথাযথ আলোর ব্যবস্থা থাকে তাহলে অপরাধীরা সেখানে অপরাধ করতে ভয় পায়। কিন্তু জায়গাটি যদি অন্ধকার আচ্ছন্ন থাকে, সেখানে পর্যাপ্ত আলো ও সিসি ক্যামেরা না থাকে তাহলে অপরাধীরা অপরাধ করতে সাহস পেয়ে থাকে।
নগরজুড়ে থাকা ২০ হাজার সড়কবাতির অর্ধেকই অকেজো। সিটি কর্পোরেশনের অধিকাংশ এলাকায় সড়কবাতি অকেজো থাকায় বেড়েছে দুর্ঘটনা, চুরি ও ছিনতাই। তাই দ্রুত জনসাধারণের নিরাপত্তায় সড়কবাতি মেরামতে ব্যবস্থা নেবে কর্তৃপক্ষ এমনাইটাই প্রত্যাশা নগরবাসীর।
এই বিভাগের আরো খবর
-
সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী, প্রতিনিধি পটুয়াখালীর গলাচিপায় আগামী ২৫ মার্চ ‘গণহত্যা দিবস’ এবং ২৬ মার্চ ‘মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬’ যথাযোগ্য...
অনলাইন ভোট
-
-
মায়ের জানাজার সময় গাজীপুরের বিএনপি নেতা আলী আজমকে হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখার ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে বলেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আপনি কি মনে করেন?
-
-
খেলাপি ঋণ কমাতে ব্যাংকঋণ পরিশোধে বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও ছাড় দিয়েছে। এতে প্রকৃত খেলাপি ঋণ কমবে বলে আপনি কি মনে করেন?
খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?
এখনই সাবস্ক্রাইব করুন প্রিয় বিষয়ের নিউজলেটার!