- প্রকাশিত: ১৬ নভেম্বর ২০২৫ ০৯:১৪ এএম
যবিপ্রবিতে বিএসসি প্রকৌশলী নিয়োগে বৈষম্য নিরসনে আলোচনা সভা ও সেমিনার অনুষ্ঠিত
যবিপ্রবি প্রতিনিধি :
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) প্রকৌশল খাতে চলমান সংকট ও বিএসসি প্রকৌশলীদের প্রতি বৈষম্য নিরসনে আলোচনা সভা ও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৫ নভেম্বর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহাম্মদ শরিফ হোসেন গ্যালারিতে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন মোঃ আমজাদ হোসেন ড. ইঞ্জি., ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ইঞ্জি. ইমরান খান, ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. এ এস এম মুজাহিদুল হক, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান সালমা খাতুন শিলা, ইন্সটিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি) যশোর অঞ্চলের সভাপতি প্রকৌশলী মোঃ শহিদুল আলম, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল্লাহ আল রশিদ, প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাকিবুল হক লিপুসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
সভায় বক্তারা বলেন, বর্তমানে নিয়োগে বৈষম্য, কোটাভিত্তিক পদোন্নতি, সমমান পদ সৃষ্টি, বিভিন্ন স্তরের প্রকৌশলীদের জন্য অসম প্রতিযোগিতা এবং ডিপ্লোমা ডিগ্রি ধারীদের ইঞ্জিনিয়ারিং পদবি অপব্যবহার দেশের প্রকৌশল খাতকে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে চাকরির সুযোগ সীমিত করার ফলে বিএসসি প্রকৌশলী শিক্ষার্থীদের দেশত্যাগের প্রবণতা দিন দিন প্রকট আকার ধারণ করছে। এসব সমস্যার সমাধান ছাড়া জাতীয় পর্যায়ে প্রকৌশল খাতকে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়বে। বক্তারা আরো বলেন, দীর্ঘদিনের এই সকল বৈষম্য ও অসঙ্গতিতে দেশের প্রকৌশলীরা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বর্তমান নীতি-নির্ধারকরা বাস্তবসম্মত সমাধান করতে পারেনি। তারা আশা প্রকাশ করেন, সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো দ্রুত কার্যকর সিদ্ধান্ত নেবে, যাতে প্রকৌশল খাতের সামগ্রিক সংকট নিরসন হয়ে যোগ্যতার ভিত্তিতে দেশে ন্যায়সংগত পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
সেমিনারে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ বলেন, প্রকৌশল অধিকার আন্দোলন দেশব্যাপী পরিচালিত একটা বৈধ ও যৌক্তিক আন্দোলন। শুরু থেকেই আমি এই আন্দোলনের সাথে একমত পোষণ করেছি। সকলের তাদের যথাযথ খাতে কাজ করার অধিকার রয়েছে। দেশে প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে দিতে আমরা বদ্ধপরিকর। প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীদেরকে তাদের ন্যায্য সেক্টরে নিয়োগ দিতে পারলে দেশ ও জাতির উন্নতি হবে।
উল্লেখ্য, "প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলন" এর তিনটি মূল দাবিগুলো হলো, প্রথমত ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যাডারে ৯ম গ্রেড বা সহকারী প্রকৌশলীসহ সমমানের পদে নিয়োগ অবশ্যই পরীক্ষার মাধ্যমে এবং কেবল বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারীদের জন্য নিশ্চিত করতে হবে। কোটাভিত্তিক পদোন্নতি বা নতুন নামে সমমান পদ সৃষ্টি করে সুবিধা দেওয়ার প্রচলন বন্ধ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, টেকনিক্যাল ১০ম গ্রেড বা উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগের পরীক্ষা ডিপ্লোমা ও বিএসসি উভয় শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা। তৃতীয়ত, বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি ছাড়া কেউ ‘প্রকৌশলী’ পদবি ব্যবহারের চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
এই বিভাগের আরো খবর
-
শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ও সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সার্বজনীন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি)...
-
রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর। শারদীয় দুর্গোৎসবে বিভাগীয় নগরী রংপুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রংপুরে আসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার...
-
যবিপ্রবি প্রতিনিধিবিশ্বের ৩৭টি দেশের কয়েকশত দলকে পেছনে ফেলে জাতিসংঘের গ্লোবাল এআই হ্যাকাথনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের দল ‘zAI BD’। প্রতিযোগিতার লক্ষ্য...
-
নিজস্ব প্রদিবেদক, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে ৫ পুলিশ সদস্যসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে।আজ...
অনলাইন ভোট
-
-
মায়ের জানাজার সময় গাজীপুরের বিএনপি নেতা আলী আজমকে হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখার ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে বলেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আপনি কি মনে করেন?
-
-
খেলাপি ঋণ কমাতে ব্যাংকঋণ পরিশোধে বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও ছাড় দিয়েছে। এতে প্রকৃত খেলাপি ঋণ কমবে বলে আপনি কি মনে করেন?
খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?
এখনই সাবস্ক্রাইব করুন প্রিয় বিষয়ের নিউজলেটার!