- প্রকাশিত: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ ০৬:১৬ পিএম
মির্জা ফখরুলের হলফনামায় ৪ কোটি টাকার সম্পদ, বছরে আয় ১১ লাখ
রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর অফিস।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ও বার্ষিক আয় মিলে তার মোট সম্পদ দেখানো হয়েছে ৪ কোটি ৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭১৫ টাকা ৭৩ পয়সা। তবে একটি প্রাইভেটকার ও ৩০ ভরি সোনার মূল্য উল্লেখ করা হয়নি। তার বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৮৩ হাজার ১৩৩ টাকা।
আইনি তথ্যের অংশে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মোট ৫০টি মামলা হয়েছিল। তবে এসব মামলার বেশিরভাগই আদালতের আদেশে স্থগিত, প্রত্যাহার অথবা চূড়ান্ত প্রতিবেদন (এফআরটি) গ্রহণের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে। বর্তমানে এসব মামলার কোনোটি তার সংসদ সদস্য হওয়ার ক্ষেত্রে আইনগত বাধা নয় বলে হলফনামায় ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও জেলা নির্বাচন অফিসে জমা দেওয়া হলফনামায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, মির্জা ফখরুলের নামে মোট পাঁচ একর কৃষি জমি রয়েছে। যার অর্জনকালীন মূল্য ৬০ হাজার টাকা। তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ৭০ শতাংশ ও ২.১৪ একর জমি। যার মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে ৫১ লাখ ৪৮ হাজার টাকা। পৈতৃক সূত্রে দোতলা বাড়ির অংশে মূল্য ১০ লাখ টাকা।
ঠাকুরগাঁওয়ে স্বামী-স্ত্রীর নামে রয়েছে ১২ শতাংশ অকৃষি জমি, যার মূল্য মূল্য ৩৯ লাখ ৭২ হাজার টাকা। ঢাকার পূর্বাচলে নিজ মালিকানায় রয়েছে পাঁচ কাঠা জমি, যার মূল্য আনুমানিক ৮৫ লাখ ৪ হাজার টাকা।
ভবন ও আবাসিক সম্পদের তালিকায় ঢাকায় অবস্থিত ১৯৫০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট, যার মূল্য ২০ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং চার শতাংশ জমি যার মূল্য পাঁচ লাখ টাকা।
মির্জা ফখরুলের নামে দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে একাধিক হিসাব রয়েছে। উত্তরা ব্যাংক লিমিটেডের ঠাকুরগাঁও শাখায় পাঁচ হাজার ২ টাকা, পূবালী ব্যাংক ঠাকুরগাঁও শাখায় এক লাখ ৯ হাজার ৮০৪ টাকা ৫০ পয়সা এবং অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেডের ঢাকা শাখায় দুই লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৭ টাকা ৪৭ পয়সা।
পূবালী ব্যাংকের গুলশান করপোরেট শাখায় মির্জা ফখরুল ও তার স্ত্রীর নামে জমা রয়েছে প্রায় দুই লাখ ২৪ হাজার ১৩২ টাকা। এর পাশাপাশি এক্সিম ব্যাংকের গুলশান শাখায় ৯ লাখ ৪৬ হাজার ৪৬৭ টাকা এবং সিটি ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং হিসাবে তিন হাজার ৪৮৫ টাকা রয়েছে। মোট ১১ লাখ ৮৩ হাজার ১৩৩ টাকা।
হাতে নগদ অর্থ রয়েছে ১ কোটি ২৫ লাখ ৫৮ হাজার ১১৬ টাকা ৭৭ পয়সা। আর স্ত্রীর আছে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৯৩০ টাকা।
বিনিয়োগ ও সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে তিনি ‘দি মির্জাস প্রাইভেট লিমিটেড’র এক হাজার ৪২৮টি শেয়ারের মালিক, যার মূল্য ১ লাখ ৪২ হাজার ৮০০ টাকা। পাশাপাশি তার স্ত্রী নামে বিভিন্ন সঞ্চয়পত্র মেয়াদি আমানতে রয়েছে ৪৫ লাখ ১১ হাজার ৭৫০ টাকা।
অস্থাবর সম্পদের তালিকায় রয়েছে দুটি ব্যক্তিগত গাড়ি। এছাড়া ১০ ভরি সোনা, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সামগ্রী (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার), যার মূল্য দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং আসবাবপত্র দুই লাখ ৪০ হাজার টাকার।
বার্ষিক কৃষিখাতে থেকে আয় এক লাখ ৮০০ হাজার, ব্যবসায় (হুরমত আলী মার্কেটের শেয়ার থেকে আয়) এক লাখ ৯৭ হাজার ২৩২ টাকা, ইজাব গ্রুপের পরামর্শক হিসেবে সম্মানী ভাতা ছয় লাখ, চাকরি (দি মির্জাস প্রাইভেট লিমিটেড থেকে সম্মানী ভাতা) এক লাখ ৯৮ হাজার, অন্যান্য যেকোনো উৎস ও ব্যাংক মুনাফা সাত হাজার ৯০১ টাকা। মোট বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৮৩ হাজার ১৩৩ টাকা।
এই বিভাগের আরো খবর
-
: বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে নয়াদিল্লি। তিনি...
-
সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী, প্রতিনিধি পৌরশহর মানেই উন্নত সড়ক, কার্যকর ড্রেনেজ, বিশুদ্ধ পানির নিশ্চয়তা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও নিরাপদ নাগরিক জীবন। কিন্তু...
-
ভোলা প্রতিনিধি ॥ভোলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের দক্ষিণ চরপাতা এলাকায় এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর ওপর হামলা, মাদ্রাসায় ভাংচুর গুরুতর জখমের ঘটনায় অভিযুক্তদের...
অনলাইন ভোট
-
-
মায়ের জানাজার সময় গাজীপুরের বিএনপি নেতা আলী আজমকে হাতকড়া ও ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে রাখার ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিতে বলেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আপনি কি মনে করেন?
-
-
খেলাপি ঋণ কমাতে ব্যাংকঋণ পরিশোধে বাংলাদেশ ব্যাংক আবারও ছাড় দিয়েছে। এতে প্রকৃত খেলাপি ঋণ কমবে বলে আপনি কি মনে করেন?
খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?
এখনই সাবস্ক্রাইব করুন প্রিয় বিষয়ের নিউজলেটার!