শিরোনামঃ

গোপালগঞ্জে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৬৪৪ জন মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা



স্টাফ রিপোর্টার, গোপালগঞ্জ : গোপালগঞ্জে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ৬৪৪ জন মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। জেলা পরিষদের সহযোগিতায় জেলা প্রশাসন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।


আজ শনিবার (০২ আগস্ট) সকাল ১১টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির হল রুমে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান।


অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সালমা পারভীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেব নাথ, গোপালগঞ্জ সরকারী বালিকা উচ্চ বিদয়ালয় ও কলেজের অধ্যক্ষ শাহনাজ রেজা এ্যানী, গোপালগঞ্জ সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ মো. ওহিদ আলম লস্কার, গোপালগঞ্জ পৌরসভার প্রশাসক মো. গোলাম কবির, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খো. রুহুল আমিন বক্তব্য রাখেন। এসময় বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অবিভাবকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


আলোচনা সভা শেষে জেলার জিপিএ ৫ প্রাপ্ত ৬৪৪ জন মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। এবারের এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষায় গোপালগঞ্জ জেলা থেকে ৬৪৪জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মধ্যে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯৫ জন।


জেলা প্রশাসন সূত্রে জানাগেছে, এ বছর জেলা থেকে ১৫ হাজার ৬০জন শিক্ষার্থী এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্য থেকে ৯ হাজার ১০৫ জন কৃতকায্য ও ৫ হাজার ৯৪৯ জন অকৃতকায্য হন। জেলায় পাশের হার ৬০ দশমিক ৪৬ শতাংশ। এর মধ্যে ৬৪৪জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। আর গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৯৫ জন।


অনুষ্ঠানে পৌর প্রশাসক মো. গোলাম কবির বলেন, এবছর ১ লাখ ৩৯ হাজারের শেষে শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। আমাদের দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল মিলিয়ে ৫১ হাজারের মত আসন রয়েছে। তাহলে বাকী শিক্ষার্থীরা কোথায় ভর্তি হবে। বাকী শিক্ষার্থীদের হয় প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে বা বহিবিশ্বের উন্নত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে হবে। আমি আশা করবো আমাদের গোপালগঞ্জের শিক্ষার্থীরা বিশ্বের নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।


জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দেত নাথ বলেন, আজকের যারা সংবর্ধিত হচ্ছে তারা অনেক ভাগ্যবান। সদরে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। কিন্তু যারা বাকি উপজেলা থাকেন তারা তেমন সুবিধা পান না। তারা কেন পিছিয়ে যাচ্ছে সেটি আমাদের অনুসন্ধান করতে হবে। শিক্ষার মান ভালো করতে হলে আমাদের এই জায়গায় কাজ করতে হবে।


পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, এসএসি পরীক্ষা দিয়েই শিক্ষা জীবন শেষ না করে উচ্চ শিক্ষা গ্রহনের মাধ্যমে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে হবে। সামনে অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। এজন্য ঠিকমত পড়াশোনা করতে হবে।


অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মুহম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে তারা কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে। সকল শিক্ষার্থীই প্রত্যয় নিয়ে আরো বেশি পড়াশো্নায় মনোনিবেশ করবে। আগামী দিনগুলোতে অমৃতময় সম্ভাবনা স্বত্ত্বাগুলোকে আরো উর্ধ্বে তুলে রাখার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আগামী পরীক্ষাগুলোতেও জিপিএ-৫ পাওয়ার জন্য ঠিক মত পড়াশোনা করার জন্য মেধাবী শিক্ষার্থীদের প্রতি আহবান জানান। #

এই বিভাগের আরো খবর

অনলাইন ভোট

খবর সরাসরি ইনবক্সে পেতে চান?